০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিসা দূষণ প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে জলবায়ু কর্মীদের প্রতিবাদ

‘সিসা দূষণ বন্ধ হলে, বাড়বে শিশু বুদ্ধি-বলে’ এ প্রতিপাদ্যে কে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক সিসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ পালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার  সকালে জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বরে ইউনিসেফ’র সহায়তায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশ আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা সিসা দূষণ প্রতিরোধে পাঁচটি মূল দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো –
 ১.ভোগ্যপণ্য ও নিত্য ব্যবহৃত পণ্যে (যেমন অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার বাসনপত্র, দেয়ালের রং, শিশুদের খেলনা) সিসার মিশ্রণ বন্ধ করা।  ২. পণ্যের নিরাপদ মানদণ্ড ও কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করা ৩. দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অনিরাপদ সিসা অ্যাসিড ব্যাটারি কারখানা বন্ধ বা রূপান্তর করে নিরাপদ রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৪.অবৈধ সিসা ব্যাটারি কারখানার কারণে দূষিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং সিসা দূষিত অঞ্চলগুলো পরিষ্কার করা ৫. সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা করা।
এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সিসা দূষণ প্রতিরোধে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড বহন করেন এবং ‘সিসা দূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ স্লোগানে মুখরিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন দোকান ও পথচারীদের মাঝে সিসা দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিন করে।
এসময়  বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের জেলা সমন্বয়ক সুজন মোহন্ত,সদস্য স্বপন সরকার,রিফাত সরকার,জান্নাতুল তুহরা তন্নী,ইউনিসেফ’র শিশু সাংবাদিক জয় ইসলাম প্রমুখ।
জনপ্রিয় সংবাদ

সিসা দূষণ প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে জলবায়ু কর্মীদের প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৫:০৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
‘সিসা দূষণ বন্ধ হলে, বাড়বে শিশু বুদ্ধি-বলে’ এ প্রতিপাদ্যে কে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক সিসা দূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ পালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার  সকালে জেলা শহরের শাপলা চত্ত্বরে ইউনিসেফ’র সহায়তায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশ আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা সিসা দূষণ প্রতিরোধে পাঁচটি মূল দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো –
 ১.ভোগ্যপণ্য ও নিত্য ব্যবহৃত পণ্যে (যেমন অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার বাসনপত্র, দেয়ালের রং, শিশুদের খেলনা) সিসার মিশ্রণ বন্ধ করা।  ২. পণ্যের নিরাপদ মানদণ্ড ও কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করা ৩. দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অনিরাপদ সিসা অ্যাসিড ব্যাটারি কারখানা বন্ধ বা রূপান্তর করে নিরাপদ রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৪.অবৈধ সিসা ব্যাটারি কারখানার কারণে দূষিত এলাকাগুলো চিহ্নিত করে মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা এবং সিসা দূষিত অঞ্চলগুলো পরিষ্কার করা ৫. সিসা দূষণ প্রতিরোধে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা করা।
এ সময় অংশগ্রহণকারীরা সিসা দূষণ প্রতিরোধে ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড বহন করেন এবং ‘সিসা দূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ স্লোগানে মুখরিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন দোকান ও পথচারীদের মাঝে সিসা দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিন করে।
এসময়  বক্তব্য রাখেন- জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম, ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের জেলা সমন্বয়ক সুজন মোহন্ত,সদস্য স্বপন সরকার,রিফাত সরকার,জান্নাতুল তুহরা তন্নী,ইউনিসেফ’র শিশু সাংবাদিক জয় ইসলাম প্রমুখ।