বগুড়ার পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা’র কাছে ধর্ষণ মামলার আসামীকে গ্রেফতারের প্রার্থনা করে ভুক্তভোগী নারী ২৬ শে অক্টোবর শনিবার বিকালে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিটিতে ভুক্তভোগী নারী বলেন, গত ২২ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখে ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে কাহালু থানায় ২০০০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ৯(১) ধারায়) মামালা দায়ের করেন।
আসামী একজন সরকারী চাকুরীজীবী ও প্রভাবশালী হওয়ায় থানা কর্তৃপক্ষ আসামীকে গ্রেফতার করে নাই। চিঠিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে শেরপুর থানায় আসামীর উপস্থিতি অবগত করায় শেরপুর থানা আসামী গ্রেফতারে কাহালু থানার সহযোগীতা চাইলেও কাহালু থানা কোন প্রকার সহযোগিতা করেনি এবং তার পরেও একাধিক বার আসামীর উপস্থিতি অবগত করার পরেও তদন্তনাধীন পুলিশ অফিসার সাব ইন্সপেক্টর আনাহার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নাই।
আসামী এখনো স্বাধীনভাবে এলাকায় ঘোরাফেরা ও নিজ কর্মস্থল পাবনা চাটমোহর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে তার দায়িত্ব পালন করছেন, এবং প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন হুমকি ধামকি করে মামলার তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি সু-বিবেচনা পূর্বক পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী নারী পুলিশ সুপারের কাছে মর্জি হন।
উল্লেখ্যঃ চলতি বছরের ২২ আগস্ট ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগী নারী, ধর্ষক মামুনুর রশিদ মিমোর বিরুদ্ধে (২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩, জোরপূর্বক ধর্ষণের) একটি মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি নিয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, যদিও আমার কাছে এখনো অভিযোগটি পৌছায় নাই। অভিযোগ পৌছালে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ ছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী নারীকে সব ধরনের সহযোগিতাও করতে চেয়েছেন পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা।























