০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে সেই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা

লালমনিরহাটের বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সুমন খানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে সিআইডি।
৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
শাখাওয়াত হোসেন খান ওরফে সুমন খান লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা শহরের  মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত বাচ্চু খানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, হুন্ডি ব্যবসা, চোরাচালান, টেন্ডারবাজিসহ অসংখ্য অভিযোগ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরেই।
মামলার এজাহার ও সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ, চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ ও মুদ্রা পাচার ইত্যাদির বিষয়ে দীর্ঘদিন অনুসন্ধান চালায় লালমনিরহাট সিআইডি। অনুসন্ধানে সুমন খানের ব্যাংকে দুইশ’ সাইত্রিশ কোটি উনপঞ্চাশ লক্ষ আটচল্লিশ হাজার সাতশত ষাট টাকা, তার স্ত্রী মোছা. নাহিদা আক্তার রুমা(৪৩) এর ব্যাংক একাউন্টে চার কোটি উনচল্লিশ লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার তিনশত দশ টাকার সন্ধান মেলে।
এছাড়া সুমন খানের কর্মচারী লালমনিরহাট পুরান বাজার এলাকার বাসিন্দা হারুনের ছেলে তৌকির আহমেদ মাসুম(৩৮) এর ব্যাংক একাউন্টে একশত ছিয়াশি কোটি পঁচানব্বই লক্ষ একষট্টি হাজার একশত সাতাশ টাকা পাওয়া গেছে। বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তাদের ব্যাংক একাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের জমা, স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়। এসব অপরাধে ২০১৫ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সিআইডি লালমনিরহাট জেলার এএসপি আবদুল হাই সরকার জানান, নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি সিআইডি তদন্ত করবে। আসামীদের প্রত্যেককে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলমান আছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে সেই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
লালমনিরহাটের বহুল আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা সুমন খানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে সিআইডি।
৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন।
শাখাওয়াত হোসেন খান ওরফে সুমন খান লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা শহরের  মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত বাচ্চু খানের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, হুন্ডি ব্যবসা, চোরাচালান, টেন্ডারবাজিসহ অসংখ্য অভিযোগ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরেই।
মামলার এজাহার ও সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ অর্থ, চোরাচালান, মাদক ব্যবসা, স্বর্ণ ও মুদ্রা পাচার ইত্যাদির বিষয়ে দীর্ঘদিন অনুসন্ধান চালায় লালমনিরহাট সিআইডি। অনুসন্ধানে সুমন খানের ব্যাংকে দুইশ’ সাইত্রিশ কোটি উনপঞ্চাশ লক্ষ আটচল্লিশ হাজার সাতশত ষাট টাকা, তার স্ত্রী মোছা. নাহিদা আক্তার রুমা(৪৩) এর ব্যাংক একাউন্টে চার কোটি উনচল্লিশ লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার তিনশত দশ টাকার সন্ধান মেলে।
এছাড়া সুমন খানের কর্মচারী লালমনিরহাট পুরান বাজার এলাকার বাসিন্দা হারুনের ছেলে তৌকির আহমেদ মাসুম(৩৮) এর ব্যাংক একাউন্টে একশত ছিয়াশি কোটি পঁচানব্বই লক্ষ একষট্টি হাজার একশত সাতাশ টাকা পাওয়া গেছে। বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তাদের ব্যাংক একাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের জমা, স্থানান্তর ও রূপান্তর করা হয়। এসব অপরাধে ২০১৫ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারায় তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সিআইডি লালমনিরহাট জেলার এএসপি আবদুল হাই সরকার জানান, নিয়ম অনুযায়ী মামলাটি সিআইডি তদন্ত করবে। আসামীদের প্রত্যেককে গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলমান আছে।