১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ১৩২১ কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলো

নগরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
শনিবার সকালে চসিক জেনারেল হাসপাতালে (মেমন-২) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন
মেয়র।
তিনি বলেন, জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে চসিক। ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের চসিকের ব্যবস্থাপনায় চসিক পরিচালিত
দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইপিআই কেন্দ্রে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল
খাওয়ানো হবে।
শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং অপুষ্টি ও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষার জন্য মা, বাবা,
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান মেয়র।
মেয়র জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ৬-১১ মাসের
৯০ হাজার এবং ১২-৫৯ মাসের ৪ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াবে চসিক।
শনিবার (১৫ মার্চ) চসিকের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ৪১ ওয়ার্ডে ১ হাজার
৩২১টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে। ৬-১১ মাসের
শিশুকে ১ লাখ ইউনিটের নীল রঙের ও ১২-৫৯ মাসের শিশুকে ২ লাখ ইউনিটের লাল রঙের
ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে
চসিকের অর্জনের হার ৯৯ শতাংশ।
৬-১১ মাসের ৮৮ হাজার ৫৯০ শিশুর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৭ হাজার ৯৫৭ শিশুকে ক্যাপসুল
খাওয়ানো হয়েছিল। অন্যদিকে ১২-৫৯ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ শিশু। এর
বিপরীতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫৯ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল। অর্জনের হার ৯৯
দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের সচিব আশরাফুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হোসনে আরা, সহকারী
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ
দিদারুল মনির, ডা. মামুন রশিদ, ডা. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে ১৩২১ কেন্দ্রে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হলো

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ মার্চ ২০২৫

নগরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
শনিবার সকালে চসিক জেনারেল হাসপাতালে (মেমন-২) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন
মেয়র।
তিনি বলেন, জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে চসিক। ক্যাম্পেইনে বাদ পড়া শিশুদের চসিকের ব্যবস্থাপনায় চসিক পরিচালিত
দাতব্য চিকিৎসালয়, নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইপিআই কেন্দ্রে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল
খাওয়ানো হবে।
শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ এবং অপুষ্টি ও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষার জন্য মা, বাবা,
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান মেয়র।
মেয়র জানান, এবারের ক্যাম্পেইনে ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ৬-১১ মাসের
৯০ হাজার এবং ১২-৫৯ মাসের ৪ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়াবে চসিক।
শনিবার (১৫ মার্চ) চসিকের সাতটি ইপিআই জোনের আওতায় ৪১ ওয়ার্ডে ১ হাজার
৩২১টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলবে। ৬-১১ মাসের
শিশুকে ১ লাখ ইউনিটের নীল রঙের ও ১২-৫৯ মাসের শিশুকে ২ লাখ ইউনিটের লাল রঙের
ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১ জুন অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে
চসিকের অর্জনের হার ৯৯ শতাংশ।
৬-১১ মাসের ৮৮ হাজার ৫৯০ শিশুর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮৭ হাজার ৯৫৭ শিশুকে ক্যাপসুল
খাওয়ানো হয়েছিল। অন্যদিকে ১২-৫৯ মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ শিশু। এর
বিপরীতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫৯ শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছিল। অর্জনের হার ৯৯
দশমিক ৭৮ শতাংশ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের সচিব আশরাফুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা
ডা. মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হোসনে আরা, সহকারী
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ
দিদারুল মনির, ডা. মামুন রশিদ, ডা. মিজানুর রহমান প্রমুখ।