১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মরা গরুর মাংস বিক্রি, ম্যাজিস্ট্রেট আসার খবর পেয়ে পালালেন ব্যবসায়ী 

ময়মনসিংহ নান্দাইলে গরুর মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এমন খবর জানাজানি হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুল রহমান ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এ সময় অবিক্রীত প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি গরুর মাংস জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (১৬ মার্চ) সকালে উপজেলার কানুরামপুর বাজারে এমন ঘটনা ঘটে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে অনেক আগে থেকেই মরা গরুর মাংস বিক্রি করছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কানুরামপুর গ্রামের আব্দুল হেলিমের পুত্র সিরাজুল ইসলাম কানুরামপুর বাজারে পশ্চিম পাশে গরুর মাংস বিক্রি করেন।গত শনিবার সন্ধ্যায় জনৈক এক ব্যক্তি তার গরু বাজারে বিক্রি করতে যান যার বাজার মূল্য হয় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা। হঠাৎ করে গরু অসুস্থ হয়ে মৃত্যু সজ্জায় হয়ে পড়লে গরুটি বাড়িতে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মুমূর্ষু অবস্থায় গরুটিকে ৭৫ হাজার টাকা কিনে জবাই করার আগ মূর্হুর্তে গরুটি মারা যায়। সিরাজুল ইসলাম কৌশলে শনিবার রাতেই মাংস বস্তাভর্তি করে বিভিন্ন বাজারে পাঠিয়ে দেয়। বাকি অর্ধেক মাংস কানুরামপুর বাজারে রবিবার সকালে বিক্রি করে ১৫-২০ কেজি মাংস অবিক্রীত থাকে ৷
এমন খবরে সকালে নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুল রহমান, নান্দাইল প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সাদাত মো. সায়েম গিয়ে অবিক্রীত মাংস জব্দ করে। তার পাশেই মাটি খুঁড়ে তা পুঁতে রাখা হয়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও ধরেনি। তবে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে মরা গরুর মাংস এমনটা স্বীকার করেন।
নান্দাইল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সাদাত মো. সায়েম বলেন, গরুটি মরা অবস্থায় জবাই করা হয়। প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ব্যবসায়ী মুঠোফোনে আমাকে বলেছে মরা গরুর মাংস ছিল।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বলেন,বলেন- মরা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মাংস বিক্রি শেষ ১৫ কেজির মত জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। তার আগেই ব্যবসায়ী পালিয়ে গেছে। মাংসের দোকানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

মরা গরুর মাংস বিক্রি, ম্যাজিস্ট্রেট আসার খবর পেয়ে পালালেন ব্যবসায়ী 

আপডেট সময় : ০৭:২১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫
ময়মনসিংহ নান্দাইলে গরুর মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এমন খবর জানাজানি হলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুল রহমান ঘটনা স্থলে উপস্থিত হলে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। এ সময় অবিক্রীত প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি গরুর মাংস জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (১৬ মার্চ) সকালে উপজেলার কানুরামপুর বাজারে এমন ঘটনা ঘটে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে অনেক আগে থেকেই মরা গরুর মাংস বিক্রি করছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কানুরামপুর গ্রামের আব্দুল হেলিমের পুত্র সিরাজুল ইসলাম কানুরামপুর বাজারে পশ্চিম পাশে গরুর মাংস বিক্রি করেন।গত শনিবার সন্ধ্যায় জনৈক এক ব্যক্তি তার গরু বাজারে বিক্রি করতে যান যার বাজার মূল্য হয় ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা। হঠাৎ করে গরু অসুস্থ হয়ে মৃত্যু সজ্জায় হয়ে পড়লে গরুটি বাড়িতে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মুমূর্ষু অবস্থায় গরুটিকে ৭৫ হাজার টাকা কিনে জবাই করার আগ মূর্হুর্তে গরুটি মারা যায়। সিরাজুল ইসলাম কৌশলে শনিবার রাতেই মাংস বস্তাভর্তি করে বিভিন্ন বাজারে পাঠিয়ে দেয়। বাকি অর্ধেক মাংস কানুরামপুর বাজারে রবিবার সকালে বিক্রি করে ১৫-২০ কেজি মাংস অবিক্রীত থাকে ৷
এমন খবরে সকালে নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুল রহমান, নান্দাইল প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সাদাত মো. সায়েম গিয়ে অবিক্রীত মাংস জব্দ করে। তার পাশেই মাটি খুঁড়ে তা পুঁতে রাখা হয়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মাংস ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও ধরেনি। তবে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে মরা গরুর মাংস এমনটা স্বীকার করেন।
নান্দাইল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবু সাদাত মো. সায়েম বলেন, গরুটি মরা অবস্থায় জবাই করা হয়। প্রাথমিক ভাবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ব্যবসায়ী মুঠোফোনে আমাকে বলেছে মরা গরুর মাংস ছিল।
নান্দাইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়জুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বলেন,বলেন- মরা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মাংস বিক্রি শেষ ১৫ কেজির মত জব্দ করে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। তার আগেই ব্যবসায়ী পালিয়ে গেছে। মাংসের দোকানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।