১২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সলপের ঘোলের কদর দেশজুড়ে

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলপের ঘোল এখন রায়গঞ্জে। শুধু রায়গঞ্জ নয়,ঐতিহ্যবাহী সলপের ঘোলের কদর দেশজুড়ে।রমজান আসলেই চাহিদা বাড়ে সলপের ঘোলের দিকে।রোজা শুর হতেই উপজেলার গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোতে সলপের ঘোলের চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।এর ফলে কর্ম ব্যস্ততাও বেড়েছে ঘোলকর্মী ঘোষদের।সলপের ঘোল উল্লাপাড়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রায়গঞ্জ, সলঙ্গা,কামারখন্দ,বেলকুচি,শাহজাদপুর,সিরাজগঞ্জ সদর থেকে ক্রেতারা প্রতি নিয়ত সলপ স্টেশনে ঘোল কিনতে যায়।সলঙ্গা বাজারের আলিম হোটেল হতে মাংশ হাটা পর্যন্ত টেবিলে বোতল সাজিয়ে সারিবদ্ধভাবে বিক্রি হচ্ছে সলপের ঘোল।এ ছাড়াও উপজেলার নিমগাছী, চান্দাইকোনা, ভুইয়াগাতী সব অনেক বাজারেই সলপের ঘোলের কদর বেড়েছে। অনেকে মাইক্রোফোনে কল রেকর্ড করে ঘোলের প্রচার করছেন।প্রতি কেজি ঘোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা আর মাঠা ১২০ টাকা।জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত সলপের ঘোল বিক্রেতা আব্দুল মালেক জানান,বৃটিশ আমল থেকে তৎকালিন স্যানাল জমিদারের পৃষ্ঠপোষকতায় সলপে ঘোলের কারখানা গড়ে ওঠে। ঐ সময় ভারতের কলকাতাতেও যেত সলপের ঘোল।তখন থেকেই সলপের ঘোলের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ ও ভারতে।সলপে মালেক,খালেক,রাজ্জাক,সোবাহানসহ ৮/১০ টি ঘোলের কারখানা রয়েছে।তিনি আরও জানান,প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ মনের বেশি ঘোল উৎপাদিত হয়।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মালেক ও খালেকের কারখানার ঘোল উৎপাদিত হয়। বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই ঘোলের চাহিদা রয়েছে।অগ্রিম অর্ডার মোতাবেক ভোর হতেই বিভিন্ন জেলা,উপজেলায় পৌছানোর জন্য প্যাকেজিং শুরু করলে ক্রেতারা এসে ঘোল নিয়ে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

সলপের ঘোলের কদর দেশজুড়ে

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলপের ঘোল এখন রায়গঞ্জে। শুধু রায়গঞ্জ নয়,ঐতিহ্যবাহী সলপের ঘোলের কদর দেশজুড়ে।রমজান আসলেই চাহিদা বাড়ে সলপের ঘোলের দিকে।রোজা শুর হতেই উপজেলার গুরুত্বপুর্ণ স্থানগুলোতে সলপের ঘোলের চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।এর ফলে কর্ম ব্যস্ততাও বেড়েছে ঘোলকর্মী ঘোষদের।সলপের ঘোল উল্লাপাড়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রায়গঞ্জ, সলঙ্গা,কামারখন্দ,বেলকুচি,শাহজাদপুর,সিরাজগঞ্জ সদর থেকে ক্রেতারা প্রতি নিয়ত সলপ স্টেশনে ঘোল কিনতে যায়।সলঙ্গা বাজারের আলিম হোটেল হতে মাংশ হাটা পর্যন্ত টেবিলে বোতল সাজিয়ে সারিবদ্ধভাবে বিক্রি হচ্ছে সলপের ঘোল।এ ছাড়াও উপজেলার নিমগাছী, চান্দাইকোনা, ভুইয়াগাতী সব অনেক বাজারেই সলপের ঘোলের কদর বেড়েছে। অনেকে মাইক্রোফোনে কল রেকর্ড করে ঘোলের প্রচার করছেন।প্রতি কেজি ঘোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা আর মাঠা ১২০ টাকা।জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত সলপের ঘোল বিক্রেতা আব্দুল মালেক জানান,বৃটিশ আমল থেকে তৎকালিন স্যানাল জমিদারের পৃষ্ঠপোষকতায় সলপে ঘোলের কারখানা গড়ে ওঠে। ঐ সময় ভারতের কলকাতাতেও যেত সলপের ঘোল।তখন থেকেই সলপের ঘোলের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ ও ভারতে।সলপে মালেক,খালেক,রাজ্জাক,সোবাহানসহ ৮/১০ টি ঘোলের কারখানা রয়েছে।তিনি আরও জানান,প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ মনের বেশি ঘোল উৎপাদিত হয়।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মালেক ও খালেকের কারখানার ঘোল উৎপাদিত হয়। বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই ঘোলের চাহিদা রয়েছে।অগ্রিম অর্ডার মোতাবেক ভোর হতেই বিভিন্ন জেলা,উপজেলায় পৌছানোর জন্য প্যাকেজিং শুরু করলে ক্রেতারা এসে ঘোল নিয়ে যায়।