০৯:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদে রংপুরে বিশেষ ট্রেনের বরাদ্দ নেই

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলে বিশেষ ট্রেন চালুর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়নি। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য জেলা থেকে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে।
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামলাতে আগের মতোই আন্তঃনগর ট্রেনগুলোই ভরসা করতে হবে
যাত্রীদের। এতে শিডিউল বিপর্যয়সহ নানা ভোগান্তি হতে পারে। জানা যায়, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের
লালমনিরহাট বিভাগ থেকে ১০টি আন্তঃনগর ট্রেন রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে ঢাকায়
যাতায়াত করে। এর মধ্যে রয়েছে রংপুর এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস,
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস। তবে এসব
ট্রেনের শিডিউল ও আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় সব যাত্রী চাইলেও সহজে যাতায়াত করতে পারবেন
না। বর্তমানে এসব ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। রংপুর
রেলওয়ে স্টেশন সূত্র জানা যায়, ঈদের সময় যাত্রী সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়, যা এবারও ব্যতিক্রম হবে
না। তবে বিশেষ ট্রেন চালুর বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। এমনকি বিদ্যমান
ট্রেনগুলোর সঙ্গে অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা হবে কি না, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা
মেলেনি। রংপুর রেলস্টেশনে অপেক্ষমাণ এক যাত্রী বলেন, চাকরির কারণে পরিবার নিয়ে রংপুরে অবস্থান
করি। ঈদে গ্রামে ফেরার জন্য আগাম টিকিটের চেষ্টা করেও পাইনি। যদি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা
করা হতো, তাহলে গ্রামের বাড়ি যাওয়া সম্ভব হতো। রংপুর রেলস্টেশনের স্টেশন সুপার শংকর গাঙ্গুলী
বলেন, ঈদে বিশেষ ট্রেন বা অতিরিক্ত বগি সংযোজনের কোনো নির্দেশনা এখনো পাইনি। বিশেষ
ট্রেন পাওয়ার আশা কম। যদি অতিরিক্ত ট্রেন ও বগির ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে রেলওয়ের লোকসানের
পরিবর্তে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদে রংপুরে বিশেষ ট্রেনের বরাদ্দ নেই

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলে বিশেষ ট্রেন চালুর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়নি। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য জেলা থেকে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে দুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে।
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামলাতে আগের মতোই আন্তঃনগর ট্রেনগুলোই ভরসা করতে হবে
যাত্রীদের। এতে শিডিউল বিপর্যয়সহ নানা ভোগান্তি হতে পারে। জানা যায়, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের
লালমনিরহাট বিভাগ থেকে ১০টি আন্তঃনগর ট্রেন রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে ঢাকায়
যাতায়াত করে। এর মধ্যে রয়েছে রংপুর এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস,
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস। তবে এসব
ট্রেনের শিডিউল ও আসন সংখ্যা সীমিত থাকায় সব যাত্রী চাইলেও সহজে যাতায়াত করতে পারবেন
না। বর্তমানে এসব ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। রংপুর
রেলওয়ে স্টেশন সূত্র জানা যায়, ঈদের সময় যাত্রী সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পায়, যা এবারও ব্যতিক্রম হবে
না। তবে বিশেষ ট্রেন চালুর বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আসেনি। এমনকি বিদ্যমান
ট্রেনগুলোর সঙ্গে অতিরিক্ত বগি সংযোজন করা হবে কি না, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা
মেলেনি। রংপুর রেলস্টেশনে অপেক্ষমাণ এক যাত্রী বলেন, চাকরির কারণে পরিবার নিয়ে রংপুরে অবস্থান
করি। ঈদে গ্রামে ফেরার জন্য আগাম টিকিটের চেষ্টা করেও পাইনি। যদি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা
করা হতো, তাহলে গ্রামের বাড়ি যাওয়া সম্ভব হতো। রংপুর রেলস্টেশনের স্টেশন সুপার শংকর গাঙ্গুলী
বলেন, ঈদে বিশেষ ট্রেন বা অতিরিক্ত বগি সংযোজনের কোনো নির্দেশনা এখনো পাইনি। বিশেষ
ট্রেন পাওয়ার আশা কম। যদি অতিরিক্ত ট্রেন ও বগির ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে রেলওয়ের লোকসানের
পরিবর্তে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।