০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে নিয়োগের নামে ৫৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কর্মকর্তা বহিষ্কার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রেজিস্ট্রার অফিসের জেনারেল শাখায় কর্মরত নিম্নমান সহকারী মো. এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ১৫ জনের মোট ৫৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের জেনারেল শাখায় কর্মরত নিম্নমান সহকারী জনাব মো. এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে ১৫ জনকে চাকরি দেয়ার নামে ৫৮ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তের স্বার্থে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী (দক্ষতা ও শৃংখলা) সংবিধির ১৫ (বি) ধারা অনুসারে তাকে ( মো. এমরান হোসেন) আজ মঙ্গলবার হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। তবে তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী জীবিকা ভাতাদি পাবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন সবুজ বাংলাকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আমরা জানতে পারি একটি চক্র চাকরি দিবে বলে প্রার্থীদের নিকট টাকা-পয়সা দাবি করছেন। পরে আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ইমরান এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। তিনি এর আগেও এভাবে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়েছে কিন্তু তখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেননি। পরে আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। তার সাথে আরও কেউ জড়িত কি না সেটা বের করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

চবিতে নিয়োগের নামে ৫৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কর্মকর্তা বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০১:৩২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রেজিস্ট্রার অফিসের জেনারেল শাখায় কর্মরত নিম্নমান সহকারী মো. এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে ১৫ জনের মোট ৫৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের জেনারেল শাখায় কর্মরত নিম্নমান সহকারী জনাব মো. এমরান হোসেনের বিরুদ্ধে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে ১৫ জনকে চাকরি দেয়ার নামে ৫৮ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তের স্বার্থে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী (দক্ষতা ও শৃংখলা) সংবিধির ১৫ (বি) ধারা অনুসারে তাকে ( মো. এমরান হোসেন) আজ মঙ্গলবার হতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। তবে তিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী জীবিকা ভাতাদি পাবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন সবুজ বাংলাকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আমরা জানতে পারি একটি চক্র চাকরি দিবে বলে প্রার্থীদের নিকট টাকা-পয়সা দাবি করছেন। পরে আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ইমরান এই সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। তিনি এর আগেও এভাবে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিয়েছে কিন্তু তখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেননি। পরে আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। তার সাথে আরও কেউ জড়িত কি না সেটা বের করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।