১২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত মাদ্রাসার এখনো সভাপতি স্বৈরাচারের দোসর মাওলানা আবদুল খালেক

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় আট মাস অতিবাহিত হলেও চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত তাজকিয়াতুল উম্মাহ মডেল মাদ্রাসার সভাপতি পদে এখনো বহাল রয়েছেন ফ্যাসিস্টের দোসর ওলামা লীগ নেতা মাওলানা আবদুল খালেক। দু’বছর আগে প্রতিষ্ঠানটি চরফ্যাশন শহরের শরীফপাড়ায় প্রতিষ্ঠার সময় মাদ্রাসার মালিকপক্ষ স্বৈরাচারের এই দোসরকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। গত ষোল বছর আওয়ামী লীগের হাতে সবচেয়ে বেশি নাজেহাল নিপীড়ন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছে জামাতে ইসলামি ও বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীরা। যাদের হাতে দলের নেতা কমীরা চরম নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাদের দোসররা কীভাবে এখনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটিতে বহাল থাকে – এমন প্রশ্ন অনেকের। বিস্ময় প্রকাশ করে জনৈক ব্যক্তি বলেন, তিনি শুধু স্বৈরাচারের দোসরই নন, একজন মহা দুর্নীতিবাজ লোক। চরফ্যাশন করিমজান মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ থাকাকালীন আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা নিজের হাতিয়ে নিয়েছেন । অবসর নেওয়ার পরও এ দুর্নীতিবাজ মাওলানা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ইয়াকুব শরীফকে ম্যানেজ করে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হয় গ্রুপিং। চরম গ্রুপিংয়ে তখন ঐ মাদরাসার পড়াশোনার পরিবেশ একেবারে শুন্যের কোটায় চলে আসে। বর্তমানে পড়াশোনা পরিবেশের উন্নতি হয়নি বলে জানা গেছে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, স্বৈরাচারের দোসর মাওলানা আবদুল খালেক এখনো ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এটা দুঃখজনক ও বিস্ময়ের ব্যাপার।
এ ব্যাপারে মাদরাসার চেয়ারম্যান জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা মহিবুল্লাহ মোবাইল ফোনে বলেন, আমি ঢাকায় আছি এলাকায় আসলে আপনার সাথে কথা বলব।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি সাড়ে ৫৫ হাজার পর্যবেক্ষক

চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত মাদ্রাসার এখনো সভাপতি স্বৈরাচারের দোসর মাওলানা আবদুল খালেক

আপডেট সময় : ১২:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় আট মাস অতিবাহিত হলেও চরফ্যাশনে জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত তাজকিয়াতুল উম্মাহ মডেল মাদ্রাসার সভাপতি পদে এখনো বহাল রয়েছেন ফ্যাসিস্টের দোসর ওলামা লীগ নেতা মাওলানা আবদুল খালেক। দু’বছর আগে প্রতিষ্ঠানটি চরফ্যাশন শহরের শরীফপাড়ায় প্রতিষ্ঠার সময় মাদ্রাসার মালিকপক্ষ স্বৈরাচারের এই দোসরকে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। গত ষোল বছর আওয়ামী লীগের হাতে সবচেয়ে বেশি নাজেহাল নিপীড়ন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছে জামাতে ইসলামি ও বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীরা। যাদের হাতে দলের নেতা কমীরা চরম নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তাদের দোসররা কীভাবে এখনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটিতে বহাল থাকে – এমন প্রশ্ন অনেকের। বিস্ময় প্রকাশ করে জনৈক ব্যক্তি বলেন, তিনি শুধু স্বৈরাচারের দোসরই নন, একজন মহা দুর্নীতিবাজ লোক। চরফ্যাশন করিমজান মহিলা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ থাকাকালীন আওয়ামী লীগের ক্ষমতা প্রয়োগ করে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। নিয়োগ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা নিজের হাতিয়ে নিয়েছেন । অবসর নেওয়ার পরও এ দুর্নীতিবাজ মাওলানা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ইয়াকুব শরীফকে ম্যানেজ করে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষকদের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দেয়। শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হয় গ্রুপিং। চরম গ্রুপিংয়ে তখন ঐ মাদরাসার পড়াশোনার পরিবেশ একেবারে শুন্যের কোটায় চলে আসে। বর্তমানে পড়াশোনা পরিবেশের উন্নতি হয়নি বলে জানা গেছে ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, স্বৈরাচারের দোসর মাওলানা আবদুল খালেক এখনো ঐ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি এটা দুঃখজনক ও বিস্ময়ের ব্যাপার।
এ ব্যাপারে মাদরাসার চেয়ারম্যান জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মাওলানা মহিবুল্লাহ মোবাইল ফোনে বলেন, আমি ঢাকায় আছি এলাকায় আসলে আপনার সাথে কথা বলব।