১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে বনাঢ়্য আয়োজনে নববর্ষ উৎযাপিত

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২।
সোমবার সকাল ৮টায় ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠ থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বের করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ফেনী পৌরসভার প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সকারে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সকালে শোভাযাত্রা বের করে। এসময়
জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ,ও সদস্য সচিব আলালন উদ্দিন আলাল নেতৃত্বে শহর প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে সামনে শেষ হয়।

রঙ-বেরঙের পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পিটিআই স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার যৌথভাবে সপ্তাহব্যাপী লোকজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

এ আয়োজনে শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৪০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। তারা গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে বনাঢ়্য আয়োজনে নববর্ষ উৎযাপিত

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

ফেনীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২।
সোমবার সকাল ৮টায় ফেনী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠ থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বের করা হয় আনন্দ শোভাযাত্রা।
শোভাযাত্রায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ফেনী পৌরসভার প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সকারে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সকালে শোভাযাত্রা বের করে। এসময়
জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ,ও সদস্য সচিব আলালন উদ্দিন আলাল নেতৃত্বে শহর প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবে সামনে শেষ হয়।

রঙ-বেরঙের পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পিটিআই স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার যৌথভাবে সপ্তাহব্যাপী লোকজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

এ আয়োজনে শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৪০টি সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। তারা গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।