০৭:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বদলগাছীতে ২শ বিঘা জমিতে পান চাষ! বছরে প্রতি বিঘায় ৫ লাখ টাকা আয়

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে বালুভরা ইউনিয়ন, বদলগাছী ইউনয়ন, আধাইপুর ইউনিয়ন ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে ২ শত বিঘা জমিতে পান চাষাবাদ করে বছরে প্রতি বিঘায় ৫ লাখ টাকা আয় করা হচ্ছে বলে কৃষি অফিস এবং পান চাষাবাদকারী কতিপয় কৃষকদের ভাষ্যে জানা গেছে। বন্যামুক্ত উঁচু দো আঁশ বা এটেল মাটি ও ছায়াযুক্ত জমি পান চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত । বদলগাছীতে ঝালপান , মিঠাপান, সাচিপান, রংপুরীপান, বারি-১, বারি-২ ও বারি -৩ পান চাষাবাদ হচ্ছে। পানের চাহিদা প্রচুর রয়েছে , পান খাবার পাশাপাশি পানের মধ্যে ঔষধী গুন রয়েছে। ফলে পান বিদেশে রপ্তানী করা হয় বলে বদলগাছী কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়। বালুভরা ইউনিয়নের নিহনপুর গ্রামে সরেজমিন তদন্তকালে পান চাষাবাদকারী কৃষক মোঃ আফছার আলী মন্ডল, জয়নাল আবেদিনসহ কতিপয় কৃষক বলেন জমি ভালভাবে চাষ করার পর পানের লতা রোপন করে বাঁশের চিকন খুটি দিয়ে পান গাছ ৭/৮ ফিট উপরে তোলার পর চারদিকে বেড়া এবং উপরে উলু বা কাশ বনের ঘাষের গাছ পাতা দিয়ে ছাউনি দেবার পর পান বরজ তৈরী করা হয়। ৬ থেকে ৭ মাস পর হতে প্রতি মাসে ৪ বার করে পান গাছ থেকে পান ভাঙ্গানো হয়। একটি পান বরজ ১৮ থেকে ২০ বছর চলে। শুধু প্রতি বছর নষ্ট হয়ে যাওয়া খুটি, বেড়া ও ছাউনি বদলাতে হয় এবং পান গাছ উপরে ছাউনি ছুঁই ছুঁই হলে গাছে একটি পেচ দিয়ে তা আবার মাটিতে পুঁতে দিলে ঐ খান থেকে আবাও পান গাছ বাড়তে থাকে ও পান ভাঙ্গা শুরু করা হয় পরিচর্চার মাধ্যমে। তারা আরও জানান প্রতি বিঘায় বছরে ৮০ হাজার টাকা থেকে ৯০ হাজার টাকা পান চাষে খরচ হয়। পান একটি রপ্তানীমুখি ও বৈদেশিক মুদ্রা আনয়নকারী ফসল। পান বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে খেয়ে থাকেন। জন্যই অধিক ফলন সই পান বীজ বা লতা, প্রযুক্তি এবং সল্প সুদে ঋন সুবিধা ও পান প্রক্রিয়া জাতকরণ ব্যবস্থা উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে পান চাষাবাদে কৃষকদের সহায়তার মাধ্যমে অধিকহারে পান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। যাতে করে পান বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এনে দেশের উন্নয়নে লাগানো যায়। পান পাটের ন্যায় হয়ে উটতে পারে লাভজনক অর্থকরী ফসল । বদলগাছী উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফারহান বলেন পান একটি লাভ জনক ও রপ্তানী মুখি সফল। তাই পান চাষাবাদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন দেশ ও জাতির উন্নয়নের স্বার্থে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুশিক্ষা ছাড়া সুনাগরিক গড়ে ওঠে না : ড. আবদুল  মঈন খান

বদলগাছীতে ২শ বিঘা জমিতে পান চাষ! বছরে প্রতি বিঘায় ৫ লাখ টাকা আয়

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে বালুভরা ইউনিয়ন, বদলগাছী ইউনয়ন, আধাইপুর ইউনিয়ন ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে ২ শত বিঘা জমিতে পান চাষাবাদ করে বছরে প্রতি বিঘায় ৫ লাখ টাকা আয় করা হচ্ছে বলে কৃষি অফিস এবং পান চাষাবাদকারী কতিপয় কৃষকদের ভাষ্যে জানা গেছে। বন্যামুক্ত উঁচু দো আঁশ বা এটেল মাটি ও ছায়াযুক্ত জমি পান চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত । বদলগাছীতে ঝালপান , মিঠাপান, সাচিপান, রংপুরীপান, বারি-১, বারি-২ ও বারি -৩ পান চাষাবাদ হচ্ছে। পানের চাহিদা প্রচুর রয়েছে , পান খাবার পাশাপাশি পানের মধ্যে ঔষধী গুন রয়েছে। ফলে পান বিদেশে রপ্তানী করা হয় বলে বদলগাছী কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়। বালুভরা ইউনিয়নের নিহনপুর গ্রামে সরেজমিন তদন্তকালে পান চাষাবাদকারী কৃষক মোঃ আফছার আলী মন্ডল, জয়নাল আবেদিনসহ কতিপয় কৃষক বলেন জমি ভালভাবে চাষ করার পর পানের লতা রোপন করে বাঁশের চিকন খুটি দিয়ে পান গাছ ৭/৮ ফিট উপরে তোলার পর চারদিকে বেড়া এবং উপরে উলু বা কাশ বনের ঘাষের গাছ পাতা দিয়ে ছাউনি দেবার পর পান বরজ তৈরী করা হয়। ৬ থেকে ৭ মাস পর হতে প্রতি মাসে ৪ বার করে পান গাছ থেকে পান ভাঙ্গানো হয়। একটি পান বরজ ১৮ থেকে ২০ বছর চলে। শুধু প্রতি বছর নষ্ট হয়ে যাওয়া খুটি, বেড়া ও ছাউনি বদলাতে হয় এবং পান গাছ উপরে ছাউনি ছুঁই ছুঁই হলে গাছে একটি পেচ দিয়ে তা আবার মাটিতে পুঁতে দিলে ঐ খান থেকে আবাও পান গাছ বাড়তে থাকে ও পান ভাঙ্গা শুরু করা হয় পরিচর্চার মাধ্যমে। তারা আরও জানান প্রতি বিঘায় বছরে ৮০ হাজার টাকা থেকে ৯০ হাজার টাকা পান চাষে খরচ হয়। পান একটি রপ্তানীমুখি ও বৈদেশিক মুদ্রা আনয়নকারী ফসল। পান বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে খেয়ে থাকেন। জন্যই অধিক ফলন সই পান বীজ বা লতা, প্রযুক্তি এবং সল্প সুদে ঋন সুবিধা ও পান প্রক্রিয়া জাতকরণ ব্যবস্থা উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে পান চাষাবাদে কৃষকদের সহায়তার মাধ্যমে অধিকহারে পান চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। যাতে করে পান বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এনে দেশের উন্নয়নে লাগানো যায়। পান পাটের ন্যায় হয়ে উটতে পারে লাভজনক অর্থকরী ফসল । বদলগাছী উপজেলা কৃষি অফিসার সাবাব ফারহান বলেন পান একটি লাভ জনক ও রপ্তানী মুখি সফল। তাই পান চাষাবাদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন দেশ ও জাতির উন্নয়নের স্বার্থে।