১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাসিনুরের লাশ ৩৬ ঘন্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

Oplus_16908288

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক হাসিনুর আলমের (২৬) মরদেহ ফেরত দিয়েছে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৮১/৬এস নম্বর ও উপপিলার ১৩ এর ভারতের কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থানার সীমান্ত ও বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রামের খারিজা জোংড়া সীমান্তবর্তী স্থান দিয়ে লাশ হস্তান্তর সম্পন্ন করা হয়। এ সময় ভারতের ১৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মহেশমারী ক্যাম্পের কমান্ডার রাজ কুমার, শীতলকুচি থানার ওসি ও বাংলাদেশের ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের খারিজা জোংড়া ক্যাম্পের প্রতিনিধি সুবেদার রেজাউল ইসলাম, পাটগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজরুল ইসলাম এবং নিহত যুবকের বাবা জাহিদুল ইসলাম ও চাচা রশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

নিহত হাসিনুর হাতীবান্ধা উপজেলার সীমান্তবর্তী মধ্য সিঙ্গিমারী গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

এর আগে, গত বুধবার দুপুরে মধ্য সিঙ্গিমারী সীমান্তের ৮৮৪ নম্বর মেইন পিলারের সাব পিলার ছয় এস-এর কাছে হাসিবুল গুলিবিদ্ধ হন। গুলি করার পর বিএসএফ সদস্যরা তাকে ভারতে নিয়ে যান।

বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বিএসএফের। কিন্তু সেদিন রাত পর্যন্ত সীমান্তে উত্তেজনা থাকায় বিএসএফ মরদেহ ফেরত দেয়নি। সীমান্ত থেকে লোকজন চলে যাওয়ার পর গভীর রাতে মরদেহ ফেরত দিয়েছে।’

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনুরের লাশ ৩৬ ঘন্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ

আপডেট সময় : ০২:১৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক হাসিনুর আলমের (২৬) মরদেহ ফেরত দিয়েছে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৮১/৬এস নম্বর ও উপপিলার ১৩ এর ভারতের কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থানার সীমান্ত ও বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রামের খারিজা জোংড়া সীমান্তবর্তী স্থান দিয়ে লাশ হস্তান্তর সম্পন্ন করা হয়। এ সময় ভারতের ১৫৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মহেশমারী ক্যাম্পের কমান্ডার রাজ কুমার, শীতলকুচি থানার ওসি ও বাংলাদেশের ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের খারিজা জোংড়া ক্যাম্পের প্রতিনিধি সুবেদার রেজাউল ইসলাম, পাটগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাজরুল ইসলাম এবং নিহত যুবকের বাবা জাহিদুল ইসলাম ও চাচা রশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

নিহত হাসিনুর হাতীবান্ধা উপজেলার সীমান্তবর্তী মধ্য সিঙ্গিমারী গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

এর আগে, গত বুধবার দুপুরে মধ্য সিঙ্গিমারী সীমান্তের ৮৮৪ নম্বর মেইন পিলারের সাব পিলার ছয় এস-এর কাছে হাসিবুল গুলিবিদ্ধ হন। গুলি করার পর বিএসএফ সদস্যরা তাকে ভারতে নিয়ে যান।

বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহ ফেরত দেওয়ার কথা ছিল বিএসএফের। কিন্তু সেদিন রাত পর্যন্ত সীমান্তে উত্তেজনা থাকায় বিএসএফ মরদেহ ফেরত দেয়নি। সীমান্ত থেকে লোকজন চলে যাওয়ার পর গভীর রাতে মরদেহ ফেরত দিয়েছে।’