১০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে ৩২ বছর পর হত্যা মামলার রায় : যাবজ্জীবন ১, খালাস ৪

জামালপুর সদরের মেষ্টা ইউনিয়নে মোজাম্মেল হক হত্যা মামলার ৩২ বছর পর একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও চারজনকে খালাসের আদেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আবু বকর ছিদ্দিক এই রায় ঘোষনা করেন।

সাজা প্রাপ্ত আসামী মো. হাফিজুর রহমান সরিষাবাড়ি উপজেলার ঢুরিয়াভিটা গ্রামের মৃত. রুহুল আমীনের সন্তান। এছাড়াও তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অনাদায়ে আরো দুই মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলায় খালাস পাওয়া আসামীরা হলেন,  সরিষাবাড়ী উপজেলার গোবিন্দ নগর (বয়রা) গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে আজাদ, পাখাডুবি গ্রামের আব্দুল কাদেরের সন্তান গোলাম রব্বানী ওরফে রব্বানী, জসীম উদ্দিনের সন্তান ওমর আলী ও জামালপুর সদর উপজেলার  কেন্দুয়া দেওয়ানীপাড়া গ্রামের মৃত. মো. নিজাম উদ্দিনের সন্তান মোঃ শওকত আলী।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত পি.পি আইনজীবী  এ.কে.এম নাজমুল হুদা জানান, প্রধান আসামী হাফিজুর রহমান ও নিহত মোজাম্মেল হক বাল্য বন্ধু। ১৯৯৩ সালের ২৩ মে বিকালে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে মোজাম্মেল হককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান হাফিজুর রহমান। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি মোজাম্মেল হক। পরেরদিন ২৪ মে মেষ্টা ইউনিয়নের হাসিল পারিল গৌরিপুর গ্রামের কাঁচা রাস্তার উপর মোজাম্মেল হকের রক্তাক্ত ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাওয়া মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পর দাফন করে।

খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ২৮ মে নিহত মোজাম্মেল হকের বড় ভাই শাহজাহান ছবি দেখে তার ভাইকে শনাক্ত করার পর জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্তের পর ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে ৩২ বছর পর এই মামলার রায় দেন আদালত। আর এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মামলার আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. ফজলুল হক।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ৩২ বছর পর হত্যা মামলার রায় : যাবজ্জীবন ১, খালাস ৪

আপডেট সময় : ০৫:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুর সদরের মেষ্টা ইউনিয়নে মোজাম্মেল হক হত্যা মামলার ৩২ বছর পর একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও চারজনকে খালাসের আদেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আবু বকর ছিদ্দিক এই রায় ঘোষনা করেন।

সাজা প্রাপ্ত আসামী মো. হাফিজুর রহমান সরিষাবাড়ি উপজেলার ঢুরিয়াভিটা গ্রামের মৃত. রুহুল আমীনের সন্তান। এছাড়াও তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। অনাদায়ে আরো দুই মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

মামলায় খালাস পাওয়া আসামীরা হলেন,  সরিষাবাড়ী উপজেলার গোবিন্দ নগর (বয়রা) গ্রামের মো. মতিয়ার রহমানের সন্তান মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে আজাদ, পাখাডুবি গ্রামের আব্দুল কাদেরের সন্তান গোলাম রব্বানী ওরফে রব্বানী, জসীম উদ্দিনের সন্তান ওমর আলী ও জামালপুর সদর উপজেলার  কেন্দুয়া দেওয়ানীপাড়া গ্রামের মৃত. মো. নিজাম উদ্দিনের সন্তান মোঃ শওকত আলী।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, দ্বিতীয় আদালতের অতিরিক্ত পি.পি আইনজীবী  এ.কে.এম নাজমুল হুদা জানান, প্রধান আসামী হাফিজুর রহমান ও নিহত মোজাম্মেল হক বাল্য বন্ধু। ১৯৯৩ সালের ২৩ মে বিকালে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে মোজাম্মেল হককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান হাফিজুর রহমান। এরপর আর বাড়ি ফিরে আসেনি মোজাম্মেল হক। পরেরদিন ২৪ মে মেষ্টা ইউনিয়নের হাসিল পারিল গৌরিপুর গ্রামের কাঁচা রাস্তার উপর মোজাম্মেল হকের রক্তাক্ত ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাওয়া মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের পর দাফন করে।

খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ২৮ মে নিহত মোজাম্মেল হকের বড় ভাই শাহজাহান ছবি দেখে তার ভাইকে শনাক্ত করার পর জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্তের পর ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে ৩২ বছর পর এই মামলার রায় দেন আদালত। আর এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মামলার আসামীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. ফজলুল হক।