মার্কিন নাগরিকের উদ্যোগে উপকূলীয় এলাকা ভোলার চরফ্যাশনে ১০ হাজার মানুষ পাচ্ছেন বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা সেবা। ইতিমধ্যে যারা এই চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন তাদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ক অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সিপিপি, বিডিপিসি ডা.কে বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল ও ডাটা ইয়াকার যৌথ উদ্যোগে শশীভূষণ ১০ শয্যা মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
আমার চোখ আমার আলো’ নামের পাইলট প্রকল্প সমন্বয়ক হাসান কবিরের সঞ্চলানায় এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও সিপিপির পরিচালক আহমাদুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান, বিডিপিসি পরিচালক মুহাম্মদ সাইদুর রহমান, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মি.র্যান্ডম, আমার চোখ আমার আলো পার্টনার অরগানাইজেশান ড. কে জামান, জেনারেল সেক্রেটারি প্রোফেসর জাকির হোসেন, সাইট সেভারসের প্রতিনিধি বিএম জাহিদুল ইসলাম, ফ্রেড হলোস ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি একে এম বদরুল হক, ভিশন স্প্রিং এর কান্টি ডিরেক্টর মিসা মেহজাবিন, অরবিশ ইন্ট্রনেশনালের কান্টি ডিরেক্টর ড. মুনির আহমেদ, বরিশাল বিভাগীয় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মো. আবুল কালাম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক মীর সাজেদুর রহমান, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসার ড. খায়ের আহমেদ চৌধুরী, ভোলা জেলা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজেস্ট্রেট মো. বেলাল হোসেন, এনজিও আ্যপেয়ার্স ব্যুরো পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, ডিরেক্টর জেনারেল অফ হেল্থ সার্ভিসের ডিরেক্টর পরিচালক প্রোফেসার ড. আবু জাফর, ভোলা জেলা সিভিল সার্জন মনিরুজ্জামান,চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসনা শারমিন মিথি প্রমুখ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সিপিপি বিভিন্ন ইউনিয়নের টিম লিডার, সাংবাদিকসহ চক্ষু সেবাগ্রহীতারা।
সেবাগ্রহীতা এওয়াজপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১০০ বছর বয়সী জয়নাল আবেদীন ও হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ১০০ বছর বয়সী জহুরা বিবি বলেন, কিছুদিন আগে আমরা চোখে দেখতে পেতাম না। মানুষের কাছ থেকে শুনে শশীভূষন ১০ শয্যা মা ও শিশু হাসপাতালে এসে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিয়েছি। এখন আমরা চোখে দেখতে পারছি। এ-ই জন্য আমার চোখ আমার আলো’ পাইলট প্রকল্প ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসুচি (সিপিপি)ও বাংলাদেশ ডিজাস্টার প্রিয়েয়ার্ডনেস সেন্টার(বিডিপিসি) ডাটা ইয়াকার প্র
কল্পের সকল উদ্যোগতাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
উল্লেখ্য যে, গত ৬ জানুয়ারি ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মি. র্যান্ডম
মার্কিন নাগরিকের উদ্যোগে ’আমার চোখ আমার আলো’ নামের পাইলট প্রকল্প ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসুচি (সিপিপি)ও বাংলাদেশ ডিজাস্টার প্রিয়েয়ার্ডনেস সেন্টার(বিডিপিসি) ডাটা ইয়াকারের যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের চক্ষু সেবা নিশ্চিত করতে পাইলট প্রকল্পের আওয়াতায় ৬ মাস ব্যাপী কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে গত চারমাসে বিনামূল্যে চরফ্যাশনে ৮ হাজার ৫৪৯ জনকে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। এবং ৪ হাজার ৬ শত মানুষের মাঝে চশমা বিতরণ করা হয়েছে।






















