০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগাছায় জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী অন্নদানগর গরু-ছাগলের হাট

রংপুরের পীরগাছায় জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী অন্নদানগর গরু-ছাগলের হাট। দীর্ঘ ১৫বছর পর এ বৈশাখে উদ্বোধন হয়েছে হাটটি। গরু-ছাগল ছাড়াও মহিষ, গাছ, পাখি ,ভ্যান, রিকশা, সাইকেলসহ আরও অনেক পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। প্রতি শুক্র ও সোমবার বসবে ঐতিহ্যবাহী এ হাটটি।

হাট কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ হাটে দুরের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা ও জালনোট সনাক্তকরণের ব্যবস্থা। হাটের মধ্যে হঠাৎ পশু অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা সহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে।

গরু ব্যবসায়ী খান বাহাদুর ও শাহ আলম জানান, অন্যান্য হাটের তুলনায় এ হাটে সুযোগ-সুবিধা বেশি। নতুন হাট হিসেবে শুধু যিনি ক্রয় করছেন শুধু তার কাছ থেকে নামমাত্র মূল্য নিয়ে থাকে। যিনি বিক্রয় করছেন তার কাছ থেকে কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

হাট কমিটির অন্যতম সদস্য আব্দুর রশিদ মাস্টার বলেন, প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ঐহিত্যবাহী হাটটি বন্ধ ছিল। সবার প্রচেষ্টায় আবারও আমরা হাটটি চালু করতে পেরেছি। আমাদের এই হাট কমিটিতে প্রায় ৪৮জন সদস্য রয়েছে। তারা সবাই ক্রেতা-বিক্রেতার সেবায় নিয়োজিত। শুধু পশু নয় মানুষও যদি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে তাদেরও চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

হাট কমিটির ইজারাদার রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ বছর পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আবারও আমরা নতুন রূপে নতুনভাবে ঐতিহ্যবাহী হাটটি চালু করেছি। ক্রয়-বিক্রয় সন্তোষজনক। আমরা আশাু করছি আগামী হাটে দ্বিগুন বেচাকেনা হবে এবং একসময় হাটটি উত্তরবঙ্গের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাটে পরিণত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পীরগাছায় জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী অন্নদানগর গরু-ছাগলের হাট

আপডেট সময় : ০৯:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

রংপুরের পীরগাছায় জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী অন্নদানগর গরু-ছাগলের হাট। দীর্ঘ ১৫বছর পর এ বৈশাখে উদ্বোধন হয়েছে হাটটি। গরু-ছাগল ছাড়াও মহিষ, গাছ, পাখি ,ভ্যান, রিকশা, সাইকেলসহ আরও অনেক পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে। প্রতি শুক্র ও সোমবার বসবে ঐতিহ্যবাহী এ হাটটি।

হাট কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ হাটে দুরের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা ও জালনোট সনাক্তকরণের ব্যবস্থা। হাটের মধ্যে হঠাৎ পশু অসুস্থ হলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা সহ অন্যান্য সুবিধা রয়েছে।

গরু ব্যবসায়ী খান বাহাদুর ও শাহ আলম জানান, অন্যান্য হাটের তুলনায় এ হাটে সুযোগ-সুবিধা বেশি। নতুন হাট হিসেবে শুধু যিনি ক্রয় করছেন শুধু তার কাছ থেকে নামমাত্র মূল্য নিয়ে থাকে। যিনি বিক্রয় করছেন তার কাছ থেকে কোন টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

হাট কমিটির অন্যতম সদস্য আব্দুর রশিদ মাস্টার বলেন, প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ঐহিত্যবাহী হাটটি বন্ধ ছিল। সবার প্রচেষ্টায় আবারও আমরা হাটটি চালু করতে পেরেছি। আমাদের এই হাট কমিটিতে প্রায় ৪৮জন সদস্য রয়েছে। তারা সবাই ক্রেতা-বিক্রেতার সেবায় নিয়োজিত। শুধু পশু নয় মানুষও যদি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে তাদেরও চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

হাট কমিটির ইজারাদার রফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ বছর পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আবারও আমরা নতুন রূপে নতুনভাবে ঐতিহ্যবাহী হাটটি চালু করেছি। ক্রয়-বিক্রয় সন্তোষজনক। আমরা আশাু করছি আগামী হাটে দ্বিগুন বেচাকেনা হবে এবং একসময় হাটটি উত্তরবঙ্গের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাটে পরিণত হবে।