০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর বিভাগে ভুট্টার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

গাইবান্ধা, রংপুর ,লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও
দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। স্বপ্নের সেই ভুট্টার দানা ঘরে তুলতে
ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। গত বছরের তুলনায় দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষক। রংপুর কৃষি
বিভাগ সুত্রে জানা যায়, রংপুরে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬১৯ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। গত বছর
ভুট্টা চাষ হয়েছিল ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও
গঙ্গাচড়ার তিস্তার চর ও তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জসহ পীরগঞ্জ এলাকার করতোয়া ও ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলের জমিতে
প্রচুর ভুট্টার চাষ হয়েছে। এছাড়া নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধাতেও বা¤পার
ফলন হয়েছে ভুট্টার। কৃষি প্রণোদনা পাওয়ায় রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ভুট্ট চাষে আগ্রহী হচ্ছে
কৃষক। চলতি মৌসুমে ভুট্টার বা¤পার ফলন ও দাম দ্বিগুণ হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। রবি
ও খরিপ ২ মৌসুমেই বছরে দুই বার কৃষকরা ভুট্টা চাষ করে থাকে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ
অধিদপ্তর জানান, চলতি বছর রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬১৯ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ
হয়েছে। রংপুর জেলায় ২১ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে, গাইবান্ধা জেরায় ১৭ হাজার ৭০৬ হেক্টরে,
কুড়িগ্রাম জেলায় ১৬ হাজার ৭৫৫ হেক্টরে, লালমনিরহাট জেলায় ৩২ হাজার ৯১০, নীলফামরিী জেরায়
২৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে চলতি রবি মৌসুমে কৃষক ভুট্টা চাষ করেছে কৃষক। আর চলতি
খরিপ মৌসুমে ১০ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে সব জাতের ভুট্টা চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ৩ হাজার ২০৬ মেট্রিক টন। মিঠাপুকুর উপজেলার মির্জাপুর
ইউনিয়নের ভুট্টাচাষী খাইরুজ্জামান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো পেয়েছেন। এক একর
জমিতে ভুট্টা চাষ করে ১০০ মণ পাওয়া যায়। বর্গাচাষি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৪৪শতাংশ জমিতে
ভুট্টা চাষ করছেন। ফলন ভালো হয়েছে। দাম ভালো পাবেন। ভুট্টা চাষে খরচ কম ফলন বেশি। দামও বেশি।
পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের তিস্তার চরে দেখা যায়, বালুচরে সবুজ আর
সোনালী ফসলে ভরা। ক্ষেতগুলোতে কর্মযজ্ঞে ব্যস্ত কৃষকরা। কেউ ধান কাটছেন, কেউ ভুট্টা উত্তোলনে
ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া বালুচরে রয়েছে বাদাম, ডাল, মরিচ, বেগুন, শিম, কপি, পেঁয়াজ,
রসুনসহ নানা ফসলের সফল। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত বছরে নানা জাতের ভুট্টা
চাষ হলেও এ বছর তিস্তা সিডস কো¤পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নতুন জাত ডালিয়া-৪৪৫৫ ও
বাসুধা-১৬৫৫ চাষ বেশি হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সরকারের
কৃষিপ্রণোদনা ও কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে ভুট্টা ফসল চাষে কৃষকরা
উৎসাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ভুট্টা থেকে মাছ ও মুরগির খাদ্য উৎপাদন এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে
ব্যবহৃত হওয়ায় এটি লাভজনক। রংপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. রিয়াজ উদ্দিন
বলেন, চলতি বছর চলমান রবি মৌসুমে রংপুরের ৮টি উপজেলা ও মহানগর এলাকায় ২১ হাজার ৮৬০
হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০
হেক্টর জমিতে রবি ভুট্টা চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের প্রণোদনার আওতায়
উন্নতমানের ভুট্টার বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণসহ মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারীদের
সহযোগিতা ও কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। কৃষি
সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলে অতিরিক্ত উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন,
চলতি বছর ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। রংপুরের ৫ জেলার কৃষকদের ভুট্টার চাষের আগ্রহ বাড়ছে। এ
বছর ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা জেলার তিস্তা,
ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া, ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলে এবং রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়ার তিস্তার চর,
তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও পীরগঞ্জ এলাকায় করতোয়া ও ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলের জমিতে প্রচুর ভুট্টা চাষ
হয়েছে। ডিমলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে নীলফামারীর
ডিমলা উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন
লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক লক্ষ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে তিস্তা নদী
বেষ্টিত ৮টি ইউনিয়নে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে ঝুনাাগাছ চাপানি, খালিশা চাপানি,
টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, পূর্বছাতনাই, বালাপাড়া ও নাউতারা ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায়
পলি ও বালু মাটি পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির কারণে ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী বেশী। এসব
এলাকার জমি বেশী উর্বরতার কারনে প্রতি বিঘা জমিতে ৪০ থেকে ৪৫ মন ভুট্টার ফলন হয়ে থাকে।
ঝুনাগাছ চাপানির ছাতুনামার চরের আক্কেল আলী বলেন, চলতি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে ভুট্টা
চাষ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩ বিঘা জমির ভুট্টা ঘরে তুলেছি। বিঘা প্রতি জমিতে ভুট্টার ফলন
পেয়েছি ৪৩ মণ করে। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, গত কয়েক বছরের
তুলনায় এবারে ভুট্টার আবাদ ভালো হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর বিভাগে ভুট্টার বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ০৪:১৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

গাইবান্ধা, রংপুর ,লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও
দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। স্বপ্নের সেই ভুট্টার দানা ঘরে তুলতে
ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। গত বছরের তুলনায় দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষক। রংপুর কৃষি
বিভাগ সুত্রে জানা যায়, রংপুরে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬১৯ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। গত বছর
ভুট্টা চাষ হয়েছিল ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও
গঙ্গাচড়ার তিস্তার চর ও তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জসহ পীরগঞ্জ এলাকার করতোয়া ও ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলের জমিতে
প্রচুর ভুট্টার চাষ হয়েছে। এছাড়া নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধাতেও বা¤পার
ফলন হয়েছে ভুট্টার। কৃষি প্রণোদনা পাওয়ায় রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ভুট্ট চাষে আগ্রহী হচ্ছে
কৃষক। চলতি মৌসুমে ভুট্টার বা¤পার ফলন ও দাম দ্বিগুণ হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। রবি
ও খরিপ ২ মৌসুমেই বছরে দুই বার কৃষকরা ভুট্টা চাষ করে থাকে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ
অধিদপ্তর জানান, চলতি বছর রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬১৯ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ
হয়েছে। রংপুর জেলায় ২১ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে, গাইবান্ধা জেরায় ১৭ হাজার ৭০৬ হেক্টরে,
কুড়িগ্রাম জেলায় ১৬ হাজার ৭৫৫ হেক্টরে, লালমনিরহাট জেলায় ৩২ হাজার ৯১০, নীলফামরিী জেরায়
২৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে চলতি রবি মৌসুমে কৃষক ভুট্টা চাষ করেছে কৃষক। আর চলতি
খরিপ মৌসুমে ১০ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে সব জাতের ভুট্টা চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা
নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ৩ হাজার ২০৬ মেট্রিক টন। মিঠাপুকুর উপজেলার মির্জাপুর
ইউনিয়নের ভুট্টাচাষী খাইরুজ্জামান বলেন, গত বছরের চেয়ে এবার ফলন ভালো পেয়েছেন। এক একর
জমিতে ভুট্টা চাষ করে ১০০ মণ পাওয়া যায়। বর্গাচাষি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৪৪শতাংশ জমিতে
ভুট্টা চাষ করছেন। ফলন ভালো হয়েছে। দাম ভালো পাবেন। ভুট্টা চাষে খরচ কম ফলন বেশি। দামও বেশি।
পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের তিস্তার চরে দেখা যায়, বালুচরে সবুজ আর
সোনালী ফসলে ভরা। ক্ষেতগুলোতে কর্মযজ্ঞে ব্যস্ত কৃষকরা। কেউ ধান কাটছেন, কেউ ভুট্টা উত্তোলনে
ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া বালুচরে রয়েছে বাদাম, ডাল, মরিচ, বেগুন, শিম, কপি, পেঁয়াজ,
রসুনসহ নানা ফসলের সফল। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত বছরে নানা জাতের ভুট্টা
চাষ হলেও এ বছর তিস্তা সিডস কো¤পানি প্রাইভেট লিমিটেডের নতুন জাত ডালিয়া-৪৪৫৫ ও
বাসুধা-১৬৫৫ চাষ বেশি হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, সরকারের
কৃষিপ্রণোদনা ও কৃষি বিভাগের প্রচেষ্টায় কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে ভুট্টা ফসল চাষে কৃষকরা
উৎসাহিত হচ্ছে। এছাড়াও ভুট্টা থেকে মাছ ও মুরগির খাদ্য উৎপাদন এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে
ব্যবহৃত হওয়ায় এটি লাভজনক। রংপুর কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. রিয়াজ উদ্দিন
বলেন, চলতি বছর চলমান রবি মৌসুমে রংপুরের ৮টি উপজেলা ও মহানগর এলাকায় ২১ হাজার ৮৬০
হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০
হেক্টর জমিতে রবি ভুট্টা চাষ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের প্রণোদনার আওতায়
উন্নতমানের ভুট্টার বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণসহ মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারীদের
সহযোগিতা ও কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। কৃষি
সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলে অতিরিক্ত উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন,
চলতি বছর ভুট্টার বা¤পার ফলন হয়েছে। রংপুরের ৫ জেলার কৃষকদের ভুট্টার চাষের আগ্রহ বাড়ছে। এ
বছর ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা জেলার তিস্তা,
ব্রহ্মপুত্র, করতোয়া, ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলে এবং রংপুরের পীরগাছা, কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়ার তিস্তার চর,
তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও পীরগঞ্জ এলাকায় করতোয়া ও ঘাঘট নদীর চরাঞ্চলের জমিতে প্রচুর ভুট্টা চাষ
হয়েছে। ডিমলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে নীলফামারীর
ডিমলা উপজেলায় ১৪ হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন
লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক লক্ষ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে তিস্তা নদী
বেষ্টিত ৮টি ইউনিয়নে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। এরমধ্যে ঝুনাাগাছ চাপানি, খালিশা চাপানি,
টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, পূর্বছাতনাই, বালাপাড়া ও নাউতারা ইউনিয়ন নদীবেষ্টিত হওয়ায়
পলি ও বালু মাটি পড়ে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির কারণে ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী বেশী। এসব
এলাকার জমি বেশী উর্বরতার কারনে প্রতি বিঘা জমিতে ৪০ থেকে ৪৫ মন ভুট্টার ফলন হয়ে থাকে।
ঝুনাগাছ চাপানির ছাতুনামার চরের আক্কেল আলী বলেন, চলতি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে ভুট্টা
চাষ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩ বিঘা জমির ভুট্টা ঘরে তুলেছি। বিঘা প্রতি জমিতে ভুট্টার ফলন
পেয়েছি ৪৩ মণ করে। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, গত কয়েক বছরের
তুলনায় এবারে ভুট্টার আবাদ ভালো হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে।