০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরের বেনাপোলে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

যশোরের শার্শার বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুরে স্বামী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। স্বামীর লাশ বাড়ির উঠানের আমড়া গাছে ঝুলছিল। আর স্ত্রীর লাশ পড়ে ছিলে বাড়ির পাশের মাঠে। শনিবার (১৪ জুন) পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতরা হলেন রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মনিরুজ্জামান (৫২) ও তার স্ত্রী রেহেনা খাতুন (৪৫)। স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর মনিরুজ্জামান আত্মহত্যা করতে পারে। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মনিরুজ্জামান দিনমজুরের কাজ করতেন। অভাবের সংসারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। শুক্রবার (১৩ জুন) রাতেও তাদের গোলযোগ হয়। এরই জের ধরে মনিরুজ্জামান রাতের কোন এক সময় স্ত্রী রেহেনাকে হত্যা করে মাঠে লাশ ফেলে রাখে। পরে তিনি নিজে আমড়া গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশের তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
এদিকে, মনিরুজ্জামানের স্বজনরা দাবি করেছেন, আত্মহত্যা করার মত তাদের স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে তেমন কোন বিবাদ ছিল না৷ তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল মিয়া জানান, মনিরুজ্জামানের ঝুলন্ত লাশ বাড়ির উঠানের গাছে ঝুলছিল। তার স্ত্রী রেহেনার লাশ বাড়ির পাশের মাঠে পড়ে ছিল। পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। সেখানে লাশের সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এটি আত্মহত্যা না হত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের বেনাপোলে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

যশোরের শার্শার বেনাপোল পোর্ট থানার রঘুনাথপুরে স্বামী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। স্বামীর লাশ বাড়ির উঠানের আমড়া গাছে ঝুলছিল। আর স্ত্রীর লাশ পড়ে ছিলে বাড়ির পাশের মাঠে। শনিবার (১৪ জুন) পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতরা হলেন রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মনিরুজ্জামান (৫২) ও তার স্ত্রী রেহেনা খাতুন (৪৫)। স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর মনিরুজ্জামান আত্মহত্যা করতে পারে। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসলে হত্যা না আত্মহত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মনিরুজ্জামান দিনমজুরের কাজ করতেন। অভাবের সংসারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। শুক্রবার (১৩ জুন) রাতেও তাদের গোলযোগ হয়। এরই জের ধরে মনিরুজ্জামান রাতের কোন এক সময় স্ত্রী রেহেনাকে হত্যা করে মাঠে লাশ ফেলে রাখে। পরে তিনি নিজে আমড়া গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশের তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।
এদিকে, মনিরুজ্জামানের স্বজনরা দাবি করেছেন, আত্মহত্যা করার মত তাদের স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে তেমন কোন বিবাদ ছিল না৷ তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসেল মিয়া জানান, মনিরুজ্জামানের ঝুলন্ত লাশ বাড়ির উঠানের গাছে ঝুলছিল। তার স্ত্রী রেহেনার লাশ বাড়ির পাশের মাঠে পড়ে ছিল। পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। সেখানে লাশের সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এটি আত্মহত্যা না হত্যা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এমআর/সব