০৭:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় নাগরিক আটককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, বাংলাদেশি যুবক তুলে নেওয়ার পর পতাকা বৈঠকে ফেরত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মোগলহাট সীমান্তে ভারতীয় নাগরিককে আটককে কেন্দ্র করে এক বাংলাদেশি যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উভয় দেশের নাগরিককে ফেরত দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেলে। জানা গেছে, ভারতীয় নাগরিক আমিনুল ইসলাম (৩৯) অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মোগলহাট ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন। আমিনুল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার নাগরটারী দরিবাস এলাকার মৃত ফয়জার রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সীমান্তের কুমারটারী এলাকার ৯২৭ নম্বর মেইন পিলারের তিন নম্বর সাব-পিলারের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার সময় আমিনুলকে স্থানীয়রা ধরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেন।

তবে ঘটনার এক ঘণ্টা পর, আটককৃত আমিনুলের ছেলে ক্ষুব্ধ হয়ে আরও ১০–১২ জন ভারতীয় নাগরিক নিয়ে সীমান্তে জড়ো হয়ে চিৎকার ও প্রতিবাদ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে প্রবেশ করে কুমারটারী গ্রামের সিরাজুল হক (৩৮) নামে এক বাংলাদেশিকে তুলে নিয়ে যায়। তিনি দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মৃত জাফর আলীর ছেলে। ঘটনার সময় তিনি গরু চরাচ্ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবির লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মোগলহাট কোম্পানি কমান্ডার সাঈদুর রহমান জানান, “ঘটনার দিন রাতেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে উভয় দেশের আটককৃত নাগরিকদের নিজ নিজ বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতীয় নাগরিক আটককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, বাংলাদেশি যুবক তুলে নেওয়ার পর পতাকা বৈঠকে ফেরত

আপডেট সময় : ১১:৩২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মোগলহাট সীমান্তে ভারতীয় নাগরিককে আটককে কেন্দ্র করে এক বাংলাদেশি যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উভয় দেশের নাগরিককে ফেরত দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকেলে। জানা গেছে, ভারতীয় নাগরিক আমিনুল ইসলাম (৩৯) অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মোগলহাট ক্যাম্পে হস্তান্তর করেন। আমিনুল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার নাগরটারী দরিবাস এলাকার মৃত ফয়জার রহমানের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সীমান্তের কুমারটারী এলাকার ৯২৭ নম্বর মেইন পিলারের তিন নম্বর সাব-পিলারের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার সময় আমিনুলকে স্থানীয়রা ধরে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেন।

তবে ঘটনার এক ঘণ্টা পর, আটককৃত আমিনুলের ছেলে ক্ষুব্ধ হয়ে আরও ১০–১২ জন ভারতীয় নাগরিক নিয়ে সীমান্তে জড়ো হয়ে চিৎকার ও প্রতিবাদ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে প্রবেশ করে কুমারটারী গ্রামের সিরাজুল হক (৩৮) নামে এক বাংলাদেশিকে তুলে নিয়ে যায়। তিনি দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মৃত জাফর আলীর ছেলে। ঘটনার সময় তিনি গরু চরাচ্ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবির লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মোগলহাট কোম্পানি কমান্ডার সাঈদুর রহমান জানান, “ঘটনার দিন রাতেই বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে উভয় দেশের আটককৃত নাগরিকদের নিজ নিজ বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”