০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফটিকছড়ির হালদা নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন স্থানে ফাটল

এবারের বর্ষায় ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ির হালদা নদীর বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্পটে ফাটল ও ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার নাছির মোহাম্মদ ঘাট ও মালাকারপাড়া এলাকায় নদীপাড়ের বিশাল জনগোষ্ঠী নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। জানা যায়, পাউবো বন্যা নিয়ন্ত্রণে প্রকল্প হাতে নিলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ করতে পারেনি। ফলে হালদা তীরের বাসিন্দারা বন্যা আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। বেড়িবাঁধের ভাঙন শঙ্কায় বসতবাড়ি, মসজিদ-মন্দির হুমকিতে রয়েছে। এছাড়া বেড়িবাঁধের ওপর গ্রামের মেঠোপথগুলোর অনেক স্থানে ভেঙে গেছে।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় নদীভাঙন রোধে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪০ মিটার বাঁধ মেরামত এবং বাঁধসংলগ্ন দুটি পুকুর ভরাটে অন্তত ১৪ লাখ টাকার পৃথক দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু করে৷
পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সোহাগ তালুকদার বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতে আমরা পৃথক দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি।’
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘ভাঙন এলাকায় আমাদের চাহিদার ভিত্তিতে পাউবো বাঁধ মেরামতে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।’

এমআর/সব

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়ির হালদা নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন স্থানে ফাটল

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

এবারের বর্ষায় ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ির হালদা নদীর বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্পটে ফাটল ও ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার নাছির মোহাম্মদ ঘাট ও মালাকারপাড়া এলাকায় নদীপাড়ের বিশাল জনগোষ্ঠী নদী ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। জানা যায়, পাউবো বন্যা নিয়ন্ত্রণে প্রকল্প হাতে নিলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ করতে পারেনি। ফলে হালদা তীরের বাসিন্দারা বন্যা আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। বেড়িবাঁধের ভাঙন শঙ্কায় বসতবাড়ি, মসজিদ-মন্দির হুমকিতে রয়েছে। এছাড়া বেড়িবাঁধের ওপর গ্রামের মেঠোপথগুলোর অনেক স্থানে ভেঙে গেছে।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় নদীভাঙন রোধে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪০ মিটার বাঁধ মেরামত এবং বাঁধসংলগ্ন দুটি পুকুর ভরাটে অন্তত ১৪ লাখ টাকার পৃথক দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু করে৷
পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সোহাগ তালুকদার বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতে আমরা পৃথক দুটি প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি।’
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘ভাঙন এলাকায় আমাদের চাহিদার ভিত্তিতে পাউবো বাঁধ মেরামতে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।’

এমআর/সব