১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি জলবদ্ধতার কারনে জনদুর্ভোগ চরমে

ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এতে করে শরের নিন্ম এলাকায়
জলবদ্ধতার কারনে জনদুর্ভোগ সৃস্টি হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
ফেনী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে শহরের,এস এসকে সড়ক,মাস্টার পাড়া,সহদেবপুর, শান্তি কোম্পানি রোড়, রামপুর শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি এলাকা, নাজির রোড, পেট্রোবাংলোসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন জানান, গতকাল থেকে ফেনীতে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিস্কার থাকার পরও পানি নামতে সময় লাগছে। সকাল থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে একাদিক টিম কাজ করছে। প্রশাসক মহোদয় সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছেন।
টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বাড়ছে সীমান্তবর্তী তিন নদী মুহুরী, কহুয়া, সিলোনীয়া নদীর পানিও।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, এখনও তা বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি জলবদ্ধতার কারনে জনদুর্ভোগ চরমে

আপডেট সময় : ০১:০০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। এতে করে শরের নিন্ম এলাকায়
জলবদ্ধতার কারনে জনদুর্ভোগ সৃস্টি হয়েছে।
সোমবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।
ফেনী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে শহরের,এস এসকে সড়ক,মাস্টার পাড়া,সহদেবপুর, শান্তি কোম্পানি রোড়, রামপুর শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি এলাকা, নাজির রোড, পেট্রোবাংলোসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন জানান, গতকাল থেকে ফেনীতে রেকর্ড পরিমান বৃষ্টি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিস্কার থাকার পরও পানি নামতে সময় লাগছে। সকাল থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে একাদিক টিম কাজ করছে। প্রশাসক মহোদয় সার্বক্ষনিক মনিটরিং করছেন।
টানা বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বাড়ছে সীমান্তবর্তী তিন নদী মুহুরী, কহুয়া, সিলোনীয়া নদীর পানিও।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, এখনও তা বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আবুল কাশেম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।