০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের কথা ভাবছেন সরকার- দূর্যোগ ত্রান উপদেষ্টা

ফেনীর উত্তরাঞ্চলের বন্যা সমস্যার সমাধানে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়ায় স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের কথা ভাবছে সরকার। একথা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীরপ্রতীক। শনিবার (১২ জুলাই) বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে ফুলগাজী ও ছাগলানইয়ার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলে একটি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। এটি একটি মেগা প্রকল্প।
এ প্রকল্পে অনেক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উদ্যোগ এবং আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রকল্পে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এত বৃহৎ প্রকল্প শেষ করতে অর্থের যোগান ও সময় প্রয়োজন। এটা আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে যে, এরকম বাঁধ এ ধরনের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে না।
আপাতত সমস্যা সমাধানে বাঁধ নির্মাণে আমরা প্রাথমিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আগে জিও ব্যাগ দেয়া হতো, কিন্তু এবার টিউব ব্যাগ দেয়া হবে।
তিনি বলেন, গত বার বন্যায় ২৯ জনের প্রাণহানি হলেও এবার সচেতনতার কারণে কোন প্রাণহানি হয়নি। অনেকে বলেন, আমরা ত্রাণ চাই না। এটা ঠিক নয়, জীবন বাঁচানোর জন্য বাঁধ ও ত্রাণ দুটোই লাগবে। এটা আপনাদের একার কষ্ট না, আমাদের সকলের সম্মিলিত কষ্ট।
আমাদের ভাবনা হচ্ছে অতি দরিদ্র মানুষগুলোর আগে পরিত্রাণ।
বন্যায় জীবিকা হারোনো মানুষ গুলোকে ত্রান দিয়ে আগে সহযোগিতা করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,  জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহরিয়া ইসলাম, উপজেলা বিএনপির নেতা রসুল ও নুর হোসেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী বাঁধ নির্মানের কথা ভাবছেন সরকার- দূর্যোগ ত্রান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
ফেনীর উত্তরাঞ্চলের বন্যা সমস্যার সমাধানে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়ায় স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের কথা ভাবছে সরকার। একথা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীরপ্রতীক। শনিবার (১২ জুলাই) বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে ফুলগাজী ও ছাগলানইয়ার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলে একটি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। এটি একটি মেগা প্রকল্প।
এ প্রকল্পে অনেক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও উদ্যোগ এবং আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রকল্পে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। এত বৃহৎ প্রকল্প শেষ করতে অর্থের যোগান ও সময় প্রয়োজন। এটা আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে যে, এরকম বাঁধ এ ধরনের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে না।
আপাতত সমস্যা সমাধানে বাঁধ নির্মাণে আমরা প্রাথমিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। আগে জিও ব্যাগ দেয়া হতো, কিন্তু এবার টিউব ব্যাগ দেয়া হবে।
তিনি বলেন, গত বার বন্যায় ২৯ জনের প্রাণহানি হলেও এবার সচেতনতার কারণে কোন প্রাণহানি হয়নি। অনেকে বলেন, আমরা ত্রাণ চাই না। এটা ঠিক নয়, জীবন বাঁচানোর জন্য বাঁধ ও ত্রাণ দুটোই লাগবে। এটা আপনাদের একার কষ্ট না, আমাদের সকলের সম্মিলিত কষ্ট।
আমাদের ভাবনা হচ্ছে অতি দরিদ্র মানুষগুলোর আগে পরিত্রাণ।
বন্যায় জীবিকা হারোনো মানুষ গুলোকে ত্রান দিয়ে আগে সহযোগিতা করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,  জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহরিয়া ইসলাম, উপজেলা বিএনপির নেতা রসুল ও নুর হোসেন।