০৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাপের কামড়ে প্রাণ হারিয়েছে জাম্বুড়া পাড়ার হাজাছড়া জোড়াব্রিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রেকসন চাকমা (১০)।

জানা যায়, গত ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাকে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কালা জাম্বুড়া’ নামের বিষাক্ত সাপ কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে স্থানীয় ওঝার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁকের চেষ্টা করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় সকালে দ্রুত খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ছাবের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “শিশুটি মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আমাদের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় এন্টি ভেনাম মজুদ রয়েছে। কিন্তু সাপে কাটার পর বিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আনাই সবচেয়ে জরুরি।”

চিকিৎসকরা বলছেন, পাহাড়ি এলাকায় সাপে কাটার পর স্থানীয় ওঝার শরণ নেওয়ার প্রবণতা এবং সময়মতো আধুনিক চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই প্রাণহানি বাড়ছে। এ অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানো এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দীঘিনালায় সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাপের কামড়ে প্রাণ হারিয়েছে জাম্বুড়া পাড়ার হাজাছড়া জোড়াব্রিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রেকসন চাকমা (১০)।

জানা যায়, গত ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাকে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘কালা জাম্বুড়া’ নামের বিষাক্ত সাপ কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে স্থানীয় ওঝার মাধ্যমে ঝাড়ফুঁকের চেষ্টা করেন। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় সকালে দ্রুত খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ছাবের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “শিশুটি মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। আমাদের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় এন্টি ভেনাম মজুদ রয়েছে। কিন্তু সাপে কাটার পর বিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আনাই সবচেয়ে জরুরি।”

চিকিৎসকরা বলছেন, পাহাড়ি এলাকায় সাপে কাটার পর স্থানীয় ওঝার শরণ নেওয়ার প্রবণতা এবং সময়মতো আধুনিক চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই প্রাণহানি বাড়ছে। এ অবস্থায় সচেতনতা বাড়ানো এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

এমআর/সবা