০২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুরগি বিক্রির টাকা চাওয়ায় পিটিয়ে হত্যা, দম্পতিকে পুলিশে সোপর্দ

যশোরে বাকিতে মুরগি বিক্রির ৩৫০ টাকা চাওয়ায় আবু বক্কার কবিরাজ (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ( ২২ জুলাই) সদর উপজেলার দেয়াড়া মডেল ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আবু বক্কার ওই গ্রামের মৃত হোসেন আলী কবিরাজের ছেলে। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নির্মল কুমার ও তার স্ত্রীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। কেতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্বজন মিলন হোসেন জানান, আবু বক্কার আগে রঙ মিস্ত্রির কাজ করতেন। বেশ কিছু দিন ধরে নিজ বাড়িতে পোল্ট্রি মৃুরগির ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি ফরিদপুর গ্রামের মৃত ভজনের ছেলে নির্মলের কাছে ৩৫০ টাকা বাকিতে একটি মুরগি বিক্রি করেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আবু বক্কার বাকি টাকা চাইতে নির্মলের বাড়িত যান। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এতে নির্মল ও তার স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে আবু বক্কারকে বেধড়ক পেটায়। খবর শুনে পরিবারের সদস্যরা তাকে ‍উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাকিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই আবু বক্কার মারা যান। পরে মরদেহ মর্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে, এলাকাবাসী হত্যা ঘটনার সাথে জড়িত নির্মল ও তার স্ত্রীকে ধরে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ করেছে। এলাকায় বেশ উত্তেজনা চলছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, আটক দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরগি বিক্রির টাকা চাওয়ায় পিটিয়ে হত্যা, দম্পতিকে পুলিশে সোপর্দ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

যশোরে বাকিতে মুরগি বিক্রির ৩৫০ টাকা চাওয়ায় আবু বক্কার কবিরাজ (৫৩) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ( ২২ জুলাই) সদর উপজেলার দেয়াড়া মডেল ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত আবু বক্কার ওই গ্রামের মৃত হোসেন আলী কবিরাজের ছেলে। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নির্মল কুমার ও তার স্ত্রীকে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। কেতোয়ালি মডেল থানার ওসি আবুল হাসনাত এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের স্বজন মিলন হোসেন জানান, আবু বক্কার আগে রঙ মিস্ত্রির কাজ করতেন। বেশ কিছু দিন ধরে নিজ বাড়িতে পোল্ট্রি মৃুরগির ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি ফরিদপুর গ্রামের মৃত ভজনের ছেলে নির্মলের কাছে ৩৫০ টাকা বাকিতে একটি মুরগি বিক্রি করেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আবু বক্কার বাকি টাকা চাইতে নির্মলের বাড়িত যান। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এতে নির্মল ও তার স্ত্রী ক্ষিপ্ত হয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে আবু বক্কারকে বেধড়ক পেটায়। খবর শুনে পরিবারের সদস্যরা তাকে ‍উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাকিরুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই আবু বক্কার মারা যান। পরে মরদেহ মর্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

এদিকে, এলাকাবাসী হত্যা ঘটনার সাথে জড়িত নির্মল ও তার স্ত্রীকে ধরে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ করেছে। এলাকায় বেশ উত্তেজনা চলছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত জানান, আটক দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমআর/সবা