ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু শিক্ষার্থীসহ ৩১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় সারাদেশের মতো কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলাতেও গভীর শোক পালন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনে আয়োজিত হয় দোয়া মাহফিল, শোকসভা ও এক মিনিট নীরবতা পালনের কর্মসূচি।
মঙ্গলবার সকালে ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত এক দোয়া ও শোক সভায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মো. ফরিদুল আলম।
শোকসভায় বক্তারা বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনা গোটা জাতিকে শোকস্তব্ধ করে দেয়। ভবিষ্যতে যেন এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা আর না ঘটে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
একই দিন বিকেলে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়েও সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দোয়া ও এক মিনিটের নীরবতা। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সিরাজুল হকের নেতৃত্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দাঁড়িয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানান। সহকারী শিক্ষক মাওলানা আবু বক্কর দোয়া পরিচালনা করেন, যেখানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করা হয়।
এছাড়া ঈদগাঁও প্রেস ক্লাব এক বিবৃতিতে বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে। প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান,
“আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা, নিহতদের পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।”
এভাবেই পুরো ঈদগাঁও জুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজ শোকাভিভূত হয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছে জাতীয় এই বিপর্যয়ের সঙ্গে।
এমআর/সবা






















