১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক, ভুলবশত অন্যের বাড়ী ভাংচুর

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রাম থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এদিকে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে পাশের এলাকা থেকে লোকজন এসে ওই যুবকের বাড়ি মনে করে অন্য এক ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুর করেছে। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ ২৭ জুলাই রবিবার সকালে দেখা যায়, গ্রামটির অনেক ঘরের দরজায় তালা ঝুলছে। কোনো লোকজন নেই। ঘটনার পর শনিবার রাত থেকে আতঙ্কে গ্রামটির পুরুষেরা বাড়িঘর ছেছে পালিয়েছেন। এলাকাবাসী বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এক যুবককে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর পাশের এলাকার একদল মানুষ হাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে শ্লোগান দিতে থাকে। এসময় গ্রামের মানুষ ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই যুবকের বাড়ি মনে করে তারা অন্য এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসায় তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল এমরান বলেন, ধর্মীয় কটূক্তির বিষয়ে আমরা প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছি। তবে এটি আরও গভীরভাবে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। এঘটনায় আটক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গঙ্গাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

একাত্তরের কৃতকর্মের জন্য মাফ চেয়ে তারপর ভোট চান: মির্জা ফখরুল

রংপুরে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক, ভুলবশত অন্যের বাড়ী ভাংচুর

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের একটি গ্রাম থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এদিকে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে পাশের এলাকা থেকে লোকজন এসে ওই যুবকের বাড়ি মনে করে অন্য এক ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুর করেছে। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আজ ২৭ জুলাই রবিবার সকালে দেখা যায়, গ্রামটির অনেক ঘরের দরজায় তালা ঝুলছে। কোনো লোকজন নেই। ঘটনার পর শনিবার রাত থেকে আতঙ্কে গ্রামটির পুরুষেরা বাড়িঘর ছেছে পালিয়েছেন। এলাকাবাসী বলেন, গত শনিবার সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এক যুবককে আটক করে নিয়ে যায়। এরপর পাশের এলাকার একদল মানুষ হাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে শ্লোগান দিতে থাকে। এসময় গ্রামের মানুষ ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে ওই যুবকের বাড়ি মনে করে তারা অন্য এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর চালায়। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আসায় তারা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল এমরান বলেন, ধর্মীয় কটূক্তির বিষয়ে আমরা প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছি। তবে এটি আরও গভীরভাবে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। এঘটনায় আটক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গঙ্গাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

এমআর/সবা