লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসন চলছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করে। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পূর্ণাঙ্গ কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তার পদে স্থায়ী নিয়োগ না থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওই পদটির অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাচ্ছে। একই অবস্থা বিদ্যমান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সমাজসেবা কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা কর্মতকর্তা, মৎস্য কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান কর্মকর্তাসহ একাধিক দপ্তরে। অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অনুমোদনে বিলম্ব হচ্ছে, দেখা দিচ্ছে নানা জটিলতা। এ অবস্থায় দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ।
হাতীবান্ধা উপজেলার বাসিন্দা আতিকুল ইসলাম বলেন, এসিল্যান্ড না থাকায় জমি খারিজের কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। এক ইউএনও’র তো অনেক কাজ। তিনি কিভাবে একাই এতগুলো কাজ সামলাবে? একজন ইউএনও’র ভীষণ চাপ থাকে। তাই এখানে এ্যাসিল্যান্ড খুব জরুরী দরকার।
গড্ডিমারী এলাকার আ:রহিম বলেন, হাতীবান্ধা উপজেলার ৬টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিয়ে চলছে। এতে করে সাধারন মানুষজন ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম মিঞা জানান, অনেকগুলো দপ্তর ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলছে। এতে করে দাপ্তরীক কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরও মানুষজন যাতে হয়রানীর স্বীকার না হয় সঠিক সময়ে সেবা দেয়ার চেষ্টা চালিছে যাচ্ছি।






















