০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবির জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের দ্বৈত অবস্থান, নিয়োগ বোর্ডে সন্তুষ্ট বাহিরে এসে অভিযোগ

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। যদিও এই ফোরামের সদস্যরাই ছিলেন বিভিন্ন সিলেকশন বোর্ডের সদস্য। প্রশাসনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছেন তারা।
আবার খোদ এসব শিক্ষকরাই জানিয়েছেন তাদের চোখে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম কিংবা দলীয়করণ চোখে না পড়েনি। কিন্তু স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে উপাচার্য বরাবর অভিযোগপত্র দিয়েছে সংগঠনটি। শিক্ষকদের এ সংগঠনের এটা দ্বৈত আচরণ হিসেবে মনে করছেন অনেকে।
অপরদিকে জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসে অপর আরেকটি সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ এর সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক শাহ আলম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক আছেন, যারা গত ষোলো বছর কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করেননি, অথচ এখন তারা খুব সোচ্চার, শুধু মাত্র কিছু হালুয়া রুটির আশায়! তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা এমনকি কর্মচারী নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভা নিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ হচ্ছে। যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি।
এর আগে গত ২৩ জুলাই চবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে উপাচার্য বরাবর স্বজনপ্রীতির অভিযোগ জানান।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশাসনের নিয়োগ উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে, যা দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। দ্রুতগতিতে বন্ধের দিনেও একাধিক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ফোরামটি।
সিলেকশন বোর্ডে থাকা জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা যা বলছে: ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর তৈয়ব চৌধুরী, যিনি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী ও মেথর কাম ঝাড়ুদার পদের নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি নিজে প্রশ্ন তৈরি, খাতা মূল্যায়ন ও ভাইভা বোর্ডে ছিলাম। স্বচ্ছভাবেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো অনিয়ম এবং পক্ষপাতিত্ব দেখিনি। দলের পক্ষ থেকে পত্রপত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযোগ করা হয়েছে। তবে দিনে ২-৩টি করে প্রক্রিয়া চালানো স্বাভাবিক নয়, সেটিই উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট পদের বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা নিরপেক্ষভাবে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছি, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা দলীয়করণ ছিল না। এক্ষেত্রে কোনো যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছে বলে আমি মনে করছি না।
স্টেট শাখার ক্লিনার পদের বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. মনজুর মোরশেদ জানান, এই পদে কোনো অনিয়ম হয়নি; শুধু একজন কর্মচারীকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে।
শাহ আমানত হলের কমন রুম বিয়ারার, প্রহরী (১টি), ভোজনালয় সহকারী(১টি), সরকারি বাবুর্চি (১টি), ঝাড়ুদার (১টি), অর্ডালি পিয়ন (১টি) পদের নিয়োগ বোর্ডের  সদস্য চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান বলেন, এই পদ গুলোর নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক চাপ বা অস্বচ্ছতা ছিলনা। অধিকাংশ পদগুলোতেই আগে থেকেই অনেকেই কাজ করতো তাদেরকেই নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার দ্বারা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিবেচনা করা যাবে না।
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের মালি পদের নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ড. কাজী মোহাম্মদ মেজবাউল আলম বলেন, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন অস্বচ্ছতা, অনিয়ম ছিল না। মানবিক দিক বিবেচনা করে বোর্ডের সম্মতিতে একজনকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে। সে এখানে অনেক দিন থেকে কাজ করছিল।
অতীশ দীপঙ্কর হলের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী ও অফিস সহায়ক পদের বোর্ড সদস্য এ.জি.এম নিয়াজ উদ্দিন বলেন, যেহেতু এখনো সিন্ডিকেটে নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি, তাই মন্তব্য করাটা সময়োপযোগী নয়।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, এটাকে অভিযোগপত্র বললে ভুল হবে। আমরা শুধু ভিসি মহোদয়কে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত করেছি। আমরা অনিয়মের বিষয়গুলো বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখেছি কিন্তু সুনির্দিষ্ট করে কোথায় হয়েছে তা বলা সম্ভব না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ বোর্ডের সকলের সম্মতিক্রমে যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করেছি। এক্ষেত্রে আমরা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাও নিয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করে যারা অনেকদিন ধরে  কাজ করে আসছিল তাদেরকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) আরও বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ছুটির দিনে নিয়োগ হতে পারে। আমরাও তো ছুটির দিনে কাজ করি। প্রার্থীদের অনেকেই চাকরিরত, তাই ওইদিনই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। বিসিএসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও তো ছুটির দিনে হয়। তিনি বলেন, আমরা দলীয় পরিচয় নয়, যোগ্যতা যাচাই করেই নিয়োগ দিচ্ছি। কম্পিউটার লিটারেসি থেকে শুরু করে সব মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। কেউ সন্ত্রাসী না হলে এবং যোগ্যতা থাকলে তাকে নিয়োগে বিবেচনা করা হয়। তবে অনেকেই নিয়োগে প্রভাব খাটাতে না পেরে এখন অভিযোগ করছেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

চবির জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের দ্বৈত অবস্থান, নিয়োগ বোর্ডে সন্তুষ্ট বাহিরে এসে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:২০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুলাই ২০২৫
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ নিয়ে স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। যদিও এই ফোরামের সদস্যরাই ছিলেন বিভিন্ন সিলেকশন বোর্ডের সদস্য। প্রশাসনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছেন তারা।
আবার খোদ এসব শিক্ষকরাই জানিয়েছেন তাদের চোখে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম কিংবা দলীয়করণ চোখে না পড়েনি। কিন্তু স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে উপাচার্য বরাবর অভিযোগপত্র দিয়েছে সংগঠনটি। শিক্ষকদের এ সংগঠনের এটা দ্বৈত আচরণ হিসেবে মনে করছেন অনেকে।
অপরদিকে জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসে অপর আরেকটি সংগঠন ‘জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ এর সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক শাহ আলম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক আছেন, যারা গত ষোলো বছর কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করেননি, অথচ এখন তারা খুব সোচ্চার, শুধু মাত্র কিছু হালুয়া রুটির আশায়! তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা এমনকি কর্মচারী নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভা নিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ হচ্ছে। যা ইতিপূর্বে কখনও হয়নি।
এর আগে গত ২৩ জুলাই চবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন, সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মো. জাহেদুর রহমান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে উপাচার্য বরাবর স্বজনপ্রীতির অভিযোগ জানান।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রশাসনের নিয়োগ উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব ও দলীয়করণের অভিযোগ উঠেছে, যা দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। দ্রুতগতিতে বন্ধের দিনেও একাধিক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ফোরামটি।
সিলেকশন বোর্ডে থাকা জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা যা বলছে: ফোরামের সহ-সভাপতি প্রফেসর তৈয়ব চৌধুরী, যিনি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী ও মেথর কাম ঝাড়ুদার পদের নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন। তিনি বলেন, আমি নিজে প্রশ্ন তৈরি, খাতা মূল্যায়ন ও ভাইভা বোর্ডে ছিলাম। স্বচ্ছভাবেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো অনিয়ম এবং পক্ষপাতিত্ব দেখিনি। দলের পক্ষ থেকে পত্রপত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযোগ করা হয়েছে। তবে দিনে ২-৩টি করে প্রক্রিয়া চালানো স্বাভাবিক নয়, সেটিই উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট পদের বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা নিরপেক্ষভাবে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছি, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা দলীয়করণ ছিল না। এক্ষেত্রে কোনো যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছে বলে আমি মনে করছি না।
স্টেট শাখার ক্লিনার পদের বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. মনজুর মোরশেদ জানান, এই পদে কোনো অনিয়ম হয়নি; শুধু একজন কর্মচারীকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে।
শাহ আমানত হলের কমন রুম বিয়ারার, প্রহরী (১টি), ভোজনালয় সহকারী(১টি), সরকারি বাবুর্চি (১টি), ঝাড়ুদার (১টি), অর্ডালি পিয়ন (১টি) পদের নিয়োগ বোর্ডের  সদস্য চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান বলেন, এই পদ গুলোর নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক চাপ বা অস্বচ্ছতা ছিলনা। অধিকাংশ পদগুলোতেই আগে থেকেই অনেকেই কাজ করতো তাদেরকেই নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার দ্বারা পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিবেচনা করা যাবে না।
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের মালি পদের নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ড. কাজী মোহাম্মদ মেজবাউল আলম বলেন, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোন অস্বচ্ছতা, অনিয়ম ছিল না। মানবিক দিক বিবেচনা করে বোর্ডের সম্মতিতে একজনকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে। সে এখানে অনেক দিন থেকে কাজ করছিল।
অতীশ দীপঙ্কর হলের কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কাম অফিস সহকারী ও অফিস সহায়ক পদের বোর্ড সদস্য এ.জি.এম নিয়াজ উদ্দিন বলেন, যেহেতু এখনো সিন্ডিকেটে নিয়োগ চূড়ান্ত হয়নি, তাই মন্তব্য করাটা সময়োপযোগী নয়।
জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, এটাকে অভিযোগপত্র বললে ভুল হবে। আমরা শুধু ভিসি মহোদয়কে বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত করেছি। আমরা অনিয়মের বিষয়গুলো বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখেছি কিন্তু সুনির্দিষ্ট করে কোথায় হয়েছে তা বলা সম্ভব না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ বোর্ডের সকলের সম্মতিক্রমে যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করেছি। এক্ষেত্রে আমরা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাও নিয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করে যারা অনেকদিন ধরে  কাজ করে আসছিল তাদেরকে রেগুলারাইজ করা হয়েছে।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) আরও বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়েই ছুটির দিনে নিয়োগ হতে পারে। আমরাও তো ছুটির দিনে কাজ করি। প্রার্থীদের অনেকেই চাকরিরত, তাই ওইদিনই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। বিসিএসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও তো ছুটির দিনে হয়। তিনি বলেন, আমরা দলীয় পরিচয় নয়, যোগ্যতা যাচাই করেই নিয়োগ দিচ্ছি। কম্পিউটার লিটারেসি থেকে শুরু করে সব মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। কেউ সন্ত্রাসী না হলে এবং যোগ্যতা থাকলে তাকে নিয়োগে বিবেচনা করা হয়। তবে অনেকেই নিয়োগে প্রভাব খাটাতে না পেরে এখন অভিযোগ করছেন।