০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাসের আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ৮

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বাড়িতে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়েছে অন্তত আটজন, যাদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে।

শুক্রবার রাত ৩টার দিকে চিটাগাং রোডের হীরাঝিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) সুলতান মাহমুদ শিকদার শনিবার সকালে বলেন, “আহতদের মধ্যে আটজনকে আমাদের এখানে আনা হয়েছে। আগুনে তাদের বেশিরভাগের শরীরের ৫০ শতাংশের কাছাকাছি পুড়ে গেছে। ১৫ শতাংশ পুড়েছে এমন একটা বাচ্চাও আছে।”

দগ্ধরা হলেন- হাসান (৪০), জান্নাত (৪), মুনতাহা (৮), সালমা (৩২), ইমাম উদ্দিন (১ মাস), আরাফাত (১৮), তৃষা আক্তার (১৭) ও আসমা (৩৫)।

তাদের মধ্যে হাসানের শরীরের ৪৪ শতাংশ, জান্নাতের ৪০ শতাংশ, মুনতাহার ৩৭ শতাংশ, সালমার ৪৮ শতাংশ, ইমাম উদ্দিনের ৩০ শতাংশ, আরাফাতের ১৫ শতাংশ, তৃষা আক্তারের ৫৩ শতাংশ এবং আসমার শরীরের ৪৮ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ডা. সুলতান মাহমুদ বলেন, “তিতাস গ্যাসের সরবরাহ লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমেছিল। তা থেকে বিস্ফোরণ হয়, আগুন লাগে বলে আহতদের স্বজনরা আমাদের জানিয়েছেন।”

আহত হাসানের বন্ধু হাবিবুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনা শুনে তিনি ওই বাসায় যান। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

“এলাকার লোকজন বলেছে প্রথমে একটা বিকট শব্দ হয়েছে। এরপর আগুন লাগে। ওটা টিনশেড ঘর ছিল, তাপ কমানোর জন্য ওপরে ফলস সিলিং লাগানো হয়েছে, আগুনে ওইগুলোও পুড়ে তাদের সবার শরীরে এসে পড়েছে। তাতে তারা আরও বেশি দগ্ধ হয়েছে।”

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা: মাঠে চার শতাধিক আইনশৃঙ্খলা কর্মী 

সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাসের আগুনে শিশুসহ দগ্ধ ৮

আপডেট সময় : ১০:১৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বাড়িতে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হয়েছে অন্তত আটজন, যাদের মধ্যে তিন শিশু রয়েছে।

শুক্রবার রাত ৩টার দিকে চিটাগাং রোডের হীরাঝিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) সুলতান মাহমুদ শিকদার শনিবার সকালে বলেন, “আহতদের মধ্যে আটজনকে আমাদের এখানে আনা হয়েছে। আগুনে তাদের বেশিরভাগের শরীরের ৫০ শতাংশের কাছাকাছি পুড়ে গেছে। ১৫ শতাংশ পুড়েছে এমন একটা বাচ্চাও আছে।”

দগ্ধরা হলেন- হাসান (৪০), জান্নাত (৪), মুনতাহা (৮), সালমা (৩২), ইমাম উদ্দিন (১ মাস), আরাফাত (১৮), তৃষা আক্তার (১৭) ও আসমা (৩৫)।

তাদের মধ্যে হাসানের শরীরের ৪৪ শতাংশ, জান্নাতের ৪০ শতাংশ, মুনতাহার ৩৭ শতাংশ, সালমার ৪৮ শতাংশ, ইমাম উদ্দিনের ৩০ শতাংশ, আরাফাতের ১৫ শতাংশ, তৃষা আক্তারের ৫৩ শতাংশ এবং আসমার শরীরের ৪৮ শতাংশ পুড়ে গেছে।

ডা. সুলতান মাহমুদ বলেন, “তিতাস গ্যাসের সরবরাহ লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস জমেছিল। তা থেকে বিস্ফোরণ হয়, আগুন লাগে বলে আহতদের স্বজনরা আমাদের জানিয়েছেন।”

আহত হাসানের বন্ধু হাবিবুর রহমান বলেন, আগুনের ঘটনা শুনে তিনি ওই বাসায় যান। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

“এলাকার লোকজন বলেছে প্রথমে একটা বিকট শব্দ হয়েছে। এরপর আগুন লাগে। ওটা টিনশেড ঘর ছিল, তাপ কমানোর জন্য ওপরে ফলস সিলিং লাগানো হয়েছে, আগুনে ওইগুলোও পুড়ে তাদের সবার শরীরে এসে পড়েছে। তাতে তারা আরও বেশি দগ্ধ হয়েছে।”

এমআর/সবা