১০:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরে বোট ডুবি ১৪ জেলে উদ্ধার

সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর এফবি মায়ের দোয়া ফিশিং ট্রলারকে রাতের অন্ধকারে অপর একটি ফিশিং ট্রলার ধাক্কা দিলে এফবি মায়ের দোয়া গভীর সাগরে ডুবে যায়।
১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাত ১১ টায় বঙ্গোপসাগরে  (৮ বিয়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ডুবে যাওয়া ফিশিং ট্রলারের ১৪ মাঝিমাল্লা ট্রলারে থাকা তেলের টাংকি, বয়া ও বিভিন্ন ফ্লুটের সাহায্য নিয়ে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ধরে সাগরে ভাসতে থাকে।
পরে গতকাল ১১ সেপ্টেম্বর সকালে সাগরে মাছ ধরার দক্ষিণ হাতিয়া জেলার অপর একটি ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে।
ডুবে যাওয়া ফিশিং ট্রলারের মালিক মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ মিয়ার পুত্র জালাল মিয়া বহদ্দার। জলাল মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, তার ৫২ অশ্ব শক্তি সম্পন্ন এফবি মায়ের দোয়া ফিশিং ট্রলারটির মাঝি আব্দুস সালামসহ ১৪ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়।
বুধবার রাত ১১টায় ডাকাতের বোট সন্দেহ করে অপর একটি বড় ট্রলার ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দিয়ে বোট ডুবিয়ে দেয়। তখন মাঝিমাল্লারা বয়া, টাংকি ও ফ্লুট নিয়ে জীবন বাঁচাতে সাগরে ভাসতে থাকে।
তারা দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ভাসার পর পরদিন বৃহস্পতিবার দক্ষিণ হাতিয়ার মাছ ধরারত ওপর একটি ট্রলার তাদেরকে উদ্ধার করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার মালিক জালাল মিয়া বহদ্দার অসহায় হয়ে পড়ে তিনি জানান আমি একজন ছোটখাটো ফিশিং ট্রলার ব্যবসায়ী। ধার দেনা করে একটিমাত্র মায়ের দোয়া নামক ট্রলারটি তৈরি করে সাগরে পাঠিয়েছিলাম। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় ট্রলারটি হারিয়ে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

সাগরে বোট ডুবি ১৪ জেলে উদ্ধার

আপডেট সময় : ০১:০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর এফবি মায়ের দোয়া ফিশিং ট্রলারকে রাতের অন্ধকারে অপর একটি ফিশিং ট্রলার ধাক্কা দিলে এফবি মায়ের দোয়া গভীর সাগরে ডুবে যায়।
১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাত ১১ টায় বঙ্গোপসাগরে  (৮ বিয়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ডুবে যাওয়া ফিশিং ট্রলারের ১৪ মাঝিমাল্লা ট্রলারে থাকা তেলের টাংকি, বয়া ও বিভিন্ন ফ্লুটের সাহায্য নিয়ে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ধরে সাগরে ভাসতে থাকে।
পরে গতকাল ১১ সেপ্টেম্বর সকালে সাগরে মাছ ধরার দক্ষিণ হাতিয়া জেলার অপর একটি ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে।
ডুবে যাওয়া ফিশিং ট্রলারের মালিক মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফ মিয়ার পুত্র জালাল মিয়া বহদ্দার। জলাল মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান, তার ৫২ অশ্ব শক্তি সম্পন্ন এফবি মায়ের দোয়া ফিশিং ট্রলারটির মাঝি আব্দুস সালামসহ ১৪ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়।
বুধবার রাত ১১টায় ডাকাতের বোট সন্দেহ করে অপর একটি বড় ট্রলার ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দিয়ে বোট ডুবিয়ে দেয়। তখন মাঝিমাল্লারা বয়া, টাংকি ও ফ্লুট নিয়ে জীবন বাঁচাতে সাগরে ভাসতে থাকে।
তারা দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ভাসার পর পরদিন বৃহস্পতিবার দক্ষিণ হাতিয়ার মাছ ধরারত ওপর একটি ট্রলার তাদেরকে উদ্ধার করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলার মালিক জালাল মিয়া বহদ্দার অসহায় হয়ে পড়ে তিনি জানান আমি একজন ছোটখাটো ফিশিং ট্রলার ব্যবসায়ী। ধার দেনা করে একটিমাত্র মায়ের দোয়া নামক ট্রলারটি তৈরি করে সাগরে পাঠিয়েছিলাম। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় ট্রলারটি হারিয়ে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি।