চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আসন্ন ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তিন আন্দোলনকারী সমন্বয়ক—রাসেল আহমেদ, খান তালাত মাহমুদ রাফি ও আল মাসনূন।
তিনজনই চবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। রাফি গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস)-এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক, মাসনূন বাগছাস চবি শাখার সদস্য সচিব এবং রাসেল আহমেদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক।
সূত্র জানায়, দলীয় সমন্বয়ের অভাব, অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং ডাকসু-জাকসুর নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে কেন্দ্রীয় সহায়তা না পাওয়ায় তাঁরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
রাসেল আহমেদ বলেন, “আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে কাজ করছি। লালমনিরহাট-২ আসনে মানুষের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছি। চাকসুর মতো স্থানীয় নির্বাচন থেকে নিজেকে গুটিয়ে এখন বৃহৎ পরিসরে দেশের জন্য কাজ করতে চাই।”
রাফি বলেন, “আমার সিনিয়র–জুনিয়র, অনেক কাছের মানুষ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আমি তাদের পাশে আছি, তবে নিজে নির্বাচন করছি না। এটি একান্ত ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং দলীয় আলোচনা অনুযায়ী।”
আল মাসনূন স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংগঠন থেকেও কোনো প্যানেল দেওয়া হচ্ছে না।”
এই তিন ছাত্রনেতার নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্তে ক্যাম্পাসে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকের মতে, এটি চবির ছাত্র রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।
এমআর/সবা
























