০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে সেনা-ইউপিডিএফ (মূল) গুলিবিনিময়

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম জগাপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (মূল) দলের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে তীব্র গুলিবিনিময় ঘটেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

সেনা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনা। আজ সকালে টহলদল ইউপিডিএফ (মূল) দলের এক সন্দেহভাজন সক্রিয় সদস্যের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল আকস্মিকভাবে গুলি চালায়। সেনা সদস্যরা পাল্টা জবাব দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে একটি রাশিয়ান পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৮ রাউন্ড গুলি, একটি ওয়াকিটকি সেট ও ইউনিফর্মসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করে। তবে দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তারা বদ্ধপরিকর। জনগণের জানমাল রক্ষায় ভবিষ্যতেও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

পানছড়িতে সেনা-ইউপিডিএফ (মূল) গুলিবিনিময়

আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার দুর্গম জগাপাড়া এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (মূল) দলের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে তীব্র গুলিবিনিময় ঘটেছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

সেনা সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে সেনা। আজ সকালে টহলদল ইউপিডিএফ (মূল) দলের এক সন্দেহভাজন সক্রিয় সদস্যের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র দল আকস্মিকভাবে গুলি চালায়। সেনা সদস্যরা পাল্টা জবাব দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে একটি রাশিয়ান পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০০ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৮ রাউন্ড গুলি, একটি ওয়াকিটকি সেট ও ইউনিফর্মসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করে। তবে দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তারা বদ্ধপরিকর। জনগণের জানমাল রক্ষায় ভবিষ্যতেও সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এমআর/সবা