প্যালেস্টাইনের জন্য এটি ছিল এক আবেগঘন মুহূর্ত—আর ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে বাংলাদেশ ছিল পাশে। যুক্তরাজ্য সরকার কর্তৃক ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরদিন লন্ডনের ফিলিস্তিন দূতাবাসের বাইরে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করা হয় ফিলিস্তিনের পতাকা।
এদিনের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন লন্ডনে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা, এবং তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন প্রতিনিধি। এই উপস্থিতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির স্পষ্ট প্রতিচ্ছবি—যেখানে নিপীড়িত মানুষের পক্ষে দাঁড়ানো সবসময়ই একটি অগ্রাধিকার।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে আরও এক ধাপ এগিয়ে ফিলিস্তিন : ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দিক দিয়ে এই সপ্তাহটি ঐতিহাসিক।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া একযোগে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
এরপর সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) লন্ডনের ফিলিস্তিন দূতাবাসে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সেই স্বীকৃতি আরও এক দৃষ্টান্তমূলক মাত্রা পায়।
একইসঙ্গে পর্তুগাল ও মাল্টা-ও ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থনের পরিধি আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
ন্যায়ের পক্ষে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান অবস্থান : বাংলাদেশ বহু আগেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিনের অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছে। আজকের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কূটনীতিকের অংশগ্রহণ সেই দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থানকেই আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়।
এমআর/সবা























