জাঁকজমক ভাবে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এ উৎসব। এ বছর দুর্গোৎসবকে ঘিরে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায়একর মোট ৪৪টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা হচ্ছে তার মধ্যে ঘট ৩২টি এবং ১২টি প্রতিমা। মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিমা তৈরির মণ্ডপে শিল্পিদের রং-তুলির ছোঁয়ার অপেক্ষায় প্রতিমা ।
একইসঙ্গে দিনরাত মণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জার কাজ। এদিকে পূজার উৎসব আনন্দঘন করতে আর অপ্রীতিকর ঘটনা প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়— বড়ঘোপ নাথ পাড়া অবিনাশ মহাজনের দূর্গা মন্দির ও বড়ঘোপ বাজার কুতুবদিয়া কেন্দ্রীয় কালি মন্দিরে প্রতিমা তৈরী শেষ হয়েছে। চলছে মণ্ডপ তৈরি, আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার কাজ। দেবিদুর্গা সঙ্গে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশকেও।
কুতুবদিয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান হোসেইন বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষের দিকে। নিরাপত্তা ঘাটতি দ্বীপে কখনই ছিলো না। কুতুবদিয়া সম্প্রীতির গ্রাম। এখানে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে উৎসব করে। সব মিলিয়ে শারদীয় উৎসব এবার জাঁকজমক ভাবে পালন করা হবে।
কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পূজা উদযাপন পরিষদের সংশ্লিষ্টদের সাথে প্রশাসনিকভাবে কয়েকদফা বৈঠক করা হয়েছে। এরমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। শুরু হয়েছে যৌথ টহল। প্রত্যেক মণ্ডপগুলোতে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার দের টেক অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, পুলিশ,আনসার, ব্যাটেলিয়ান, গ্রাম পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস টিম,স্বেচ্ছাসেবক টিম, মেডিকেল টিম এবং নৌবাহিনী মাঠে কাজ করবে। প্রতিটি মণ্ডপে সরকারি ভাবে পিআইও অফিস থেকে বরাদ্দ সহায়তা দেওয়া হয়েছে, এছাড়া, পূজামণ্ডপে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। কোন ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।






















