চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। বুধবার সকাল নয়টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও অনেক আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। পাহাড় ঘেরা সবুজ ক্যাম্পাসে ভোটের এই উৎসব ঘিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ উদ্দীপনা।
সকাল ৮টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকেছে দিনের প্রথম শাটল ট্রেন। যাত্রীরা কেউ আজ ক্লাস-পরীক্ষায় বসবেন না। সবার উদ্দেশ্য একটাই-চাকসু নির্বাচনে ভোট দেওয়া।

ট্রেন থেকে নেমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হুমাইরা বলেন, ‘৩৫ বছর পর আমাদের চাকসু নির্বাচন। এটা যেমন আমাদের জন্য গর্বের বিষয়, তেমনি আমরা যোগ্য প্রার্থী বেছে নিতে চাই।’
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী পারমিতা চক্রবর্তী বলেন, ‘এত দিন ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ক্যাম্পাসে আসতাম। আজ এলাম ভোটার হিসেবে ইতিহাসের সাক্ষী হতে।’

ভোট দিতে সকালের প্রথম ট্রেনে ক্যাম্পাসে এসেছেন হাজারো শিক্ষার্থী। সকাল ৭টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে এই ট্রেন ক্যাম্পাসের উদ্দেশে রওনা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটে। এরপর শাটল থেকে নেমে শিক্ষার্থীরা রওনা দেন অনুষদ ভবনগুলোতে। পাঁচটি অনুষদে ভোট নেওয়া হবে।
এবার ভোটার প্রায় ২৭ হাজার ৫১৬ জন। এর মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা ১১ হাজার ১৫৬। নির্বাচনে লড়তে প্রার্থী হয়েছেন ৯০৮ জন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে ২৬ পদে লড়ছেন ৪১৫ প্রার্থী। একই সঙ্গে ১৪টি হল ও ১টি হোস্টেলে প্রার্থী হয়েছেন ৪৯৩ জন।
কেন্দ্রীয় সংসদে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন ও সহসাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এমআর/সবা















