১০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে বিএনপির এম এইচ খান মঞ্জুর ব্যাপক নির্বাচনি প্রস্তুতি

দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জ জেলায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম এইচ খান মঞ্জু স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় আছেন। আওয়ামী লীগের হামলা-মামলার শিকার হয়েও জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় এবং জেলার সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ উন্নয়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

যদিও গোপালগঞ্জ ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ নির্ভর, তবু স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির একটি সংগঠিত কাঠামো রয়েছে। তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, পরিবর্তনের সময় এসেছে এবং জনগণ বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে এম এইচ খান মঞ্জুকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেজর (অবঃ) অহিদুল হক মোল্লা বলেন, “গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের দূর্গ ভাঙতে সক্ষম একমাত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু।” তিনি আরও বলেন, “তার নেতৃত্বে বিএনপি সংগঠিত হচ্ছে এবং তিনি জনগণের আপনজন।”

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন বলেন, “নির্যাতনের মধ্যেও দলের পতাকা ধরে রাখা কর্মীদের পাশে ছিলেন এম এইচ খান মঞ্জু। তার প্রার্থিতা তৃণমূলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।”

গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির সভাপতি রমেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, “মানবিক গুণে ভরপুর এম এইচ খান মঞ্জু আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকেছেন সবসময়। তাই আমরা তাকেই চাই।”

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শেখ ইয়াহিয়া বলেন, “গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপি যদি সংসদ সদস্য পেতে চায়, তাহলে এম এইচ খান মঞ্জুর বিকল্প নেই।”

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক মাসুদ শেখ বলেন, “গোপালগঞ্জে বিএনপি দুর্বল নয়। সুযোগ পেলে জনগণ বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে এম এইচ খান মঞ্জুকে গ্রহণ করবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের এই ঘাঁটিতে বিএনপির প্রার্থিতা প্রতীকী মনে হলেও, এম এইচ খান মঞ্জুর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামোর ৩১ দফা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার বিষয়— আওয়ামী লীগের দুর্গ গোপালগঞ্জে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এম এইচ খান মঞ্জু কতটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে বিএনপির এম এইচ খান মঞ্জুর ব্যাপক নির্বাচনি প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জ জেলায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এইচ খান মঞ্জু মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এম এইচ খান মঞ্জু স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় আছেন। আওয়ামী লীগের হামলা-মামলার শিকার হয়েও জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় এবং জেলার সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ উন্নয়নে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।

যদিও গোপালগঞ্জ ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগ নির্ভর, তবু স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির একটি সংগঠিত কাঠামো রয়েছে। তৃণমূলের নেতারা মনে করেন, পরিবর্তনের সময় এসেছে এবং জনগণ বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে এম এইচ খান মঞ্জুকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মেজর (অবঃ) অহিদুল হক মোল্লা বলেন, “গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের দূর্গ ভাঙতে সক্ষম একমাত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু।” তিনি আরও বলেন, “তার নেতৃত্বে বিএনপি সংগঠিত হচ্ছে এবং তিনি জনগণের আপনজন।”

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম সুমন বলেন, “নির্যাতনের মধ্যেও দলের পতাকা ধরে রাখা কর্মীদের পাশে ছিলেন এম এইচ খান মঞ্জু। তার প্রার্থিতা তৃণমূলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।”

গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় কালীবাড়ির সভাপতি রমেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, “মানবিক গুণে ভরপুর এম এইচ খান মঞ্জু আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকেছেন সবসময়। তাই আমরা তাকেই চাই।”

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শেখ ইয়াহিয়া বলেন, “গোপালগঞ্জ থেকে বিএনপি যদি সংসদ সদস্য পেতে চায়, তাহলে এম এইচ খান মঞ্জুর বিকল্প নেই।”

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক মাসুদ শেখ বলেন, “গোপালগঞ্জে বিএনপি দুর্বল নয়। সুযোগ পেলে জনগণ বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে এম এইচ খান মঞ্জুকে গ্রহণ করবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের এই ঘাঁটিতে বিএনপির প্রার্থিতা প্রতীকী মনে হলেও, এম এইচ খান মঞ্জুর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তিনি ইতোমধ্যে তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামোর ৩১ দফা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহলে এখন আলোচনার বিষয়— আওয়ামী লীগের দুর্গ গোপালগঞ্জে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এম এইচ খান মঞ্জু কতটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারেন।

এমআর/সবা