১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুর-৩ আসনে জাপার দুর্গ দখলে মাঠে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের নিজ জেলা রংপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ছয়টি আসনে জোরদার প্রচারণা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে রংপুর-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলন নির্বাচনী মাঠে সরব।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৫ জুলাই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। বিএনপি ৩ নভেম্বর প্রার্থী ঘোষণা করলে আসনগুলোতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করে। জেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু নিয়ে কিছু মহল্লার নেতা-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ থাকলেও তিনি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সভা-সমাবেশ, মিছিল ও উঠান বৈঠক করে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সামসুজ্জামান সামু বলেন, তিনি সমৃদ্ধ রংপুর গড়তে ১৯টি উন্নয়ন প্রস্তাবনা হাতে নিয়ে মাঠে আছেন।

 

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলালও দীর্ঘদিন ধরে ভোটার টানতে মাঠে নেমেছেন। তিনি পরিকল্পিত সবুজ-সমৃদ্ধ রংপুর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়ালও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিদিন উঠান বৈঠক, সভা-সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। তিনি বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা তার মূল লক্ষ্য।

 

এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও বামজোটের প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। জাতীয় পার্টি (জাপা) এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি, তবে অংশ নিলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

রংপুর-৩ আসনটি জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসন জাপার দখলে থাকলেও ১৯৭৯ সালে একবার বিএনপি জয় পায়। বর্তমানে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ত্রৈমুখী প্রতিযোগিতা নির্বাচনী হালচালকে তীব্র করছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

রংপুর-৩ আসনে জাপার দুর্গ দখলে মাঠে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের নিজ জেলা রংপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ছয়টি আসনে জোরদার প্রচারণা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে রংপুর-৩ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী আন্দোলন নির্বাচনী মাঠে সরব।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৫ জুলাই নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। বিএনপি ৩ নভেম্বর প্রার্থী ঘোষণা করলে আসনগুলোতে ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করে। জেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু নিয়ে কিছু মহল্লার নেতা-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ থাকলেও তিনি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সভা-সমাবেশ, মিছিল ও উঠান বৈঠক করে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সামসুজ্জামান সামু বলেন, তিনি সমৃদ্ধ রংপুর গড়তে ১৯টি উন্নয়ন প্রস্তাবনা হাতে নিয়ে মাঠে আছেন।

 

অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলালও দীর্ঘদিন ধরে ভোটার টানতে মাঠে নেমেছেন। তিনি পরিকল্পিত সবুজ-সমৃদ্ধ রংপুর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুজ্জামান পিয়ালও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিদিন উঠান বৈঠক, সভা-সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন। তিনি বলছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা তার মূল লক্ষ্য।

 

এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও বামজোটের প্রার্থীরাও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। জাতীয় পার্টি (জাপা) এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি, তবে অংশ নিলে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

রংপুর-৩ আসনটি জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসন জাপার দখলে থাকলেও ১৯৭৯ সালে একবার বিএনপি জয় পায়। বর্তমানে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ত্রৈমুখী প্রতিযোগিতা নির্বাচনী হালচালকে তীব্র করছে।

এমআর/সবা