বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, যৌক্তিক পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৫ ডিসেম্বর (শুক্রবার) লালদীঘি ময়দানের জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ৮ দলের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিভাগের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন শুধু রাজনৈতিক দাবি নয়, এটি জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিফলন। গণভোট ছাড়া নির্বাচন হলে জনগণের ম্যান্ডেট প্রতিফলিত হবে না। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ, বিরোধীদলের ওপর জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা এবং দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এসব অপরাধের বিচার দৃশ্যমান না হলে দেশে স্থায়ী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
৫ দফা দাবি:
১. জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান আদেশ) ২০২৫ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন।
২. আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয়কক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতি চালু।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত।
৪. বিগত সরকারের জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৫ ডিসেম্বর সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চান।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী ও দক্ষিণ জেলার নেতৃবৃন্দ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর নেতা, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি ও ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রতিনিধিরা।






















