অভিযানে ওই বাড়ি থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুটি পুরাতন ও জংধরা পিস্তল, ছয় রাউন্ড চাইনিজ রাইফেলের গুলি, ৪৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চারটি ব্যবহৃত শটগানের কার্তুজের খোসা, একটি বড় বন্দুকের বাটের অংশবিশেষ, দুটি লম্বা ধারালো দা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি কাটার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আয়েশা বেগম রিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ ল্যাং আবছার, ডাকাত রহিম ও তাঁর নিজের বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, গ্রেপ্তারকৃত আয়েশা বেগম রিয়া উক্ত ডাকাতদের বিভিন্ন অপকর্মে সহযোগী হিসেবে জড়িত ছিলেন।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর জুয়েল চৌধুরী জানান, দীর্ঘ প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ ল্যাং আবছার ও ডাকাত রহিমের আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত আয়েশা বেগম রিয়ার বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ ল্যাং আবছার ও ডাকাত রহিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় দুই ডজনেরও বেশি হত্যা, ডাকাতি, অস্ত্র ও সহিংসতার মামলা রয়েছে।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ভূইয়া সবুজ বাংলাকে জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এ অভিযানের ফলে এলাকায় অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো।






















