০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নালিতাবাড়ী ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শেরপুরের নালিতাবাড়ী শহর বিএনপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনারকে সভাপতি পদসহ বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) শেরপুর জেলা বিএনপির সম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ফাহিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড বিএনপির একাধিক নেতা লিখিতভাবে অভিযোগ করেন যে, আনোয়ার হোসেন আনার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক, বিতর্কিত ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার কর্মকাণ্ডে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। নেতৃবৃন্দের আশঙ্কা, এমন একজন ব্যক্তি নেতৃত্বে থাকলে আসন্ন নির্বাচনসহ বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দলীয় স্বার্থে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বহিষ্কৃত নেতা আনোয়ার হোসেন আনার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রাজনীতির শিকার। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো একতরফা এবং আমাকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের কোনো সুযোগ না দিয়েই বহিষ্কার করা হয়েছে।”
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নালিতাবাড়ী ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বহিষ্কার

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শেরপুরের নালিতাবাড়ী শহর বিএনপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনারকে সভাপতি পদসহ বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) শেরপুর জেলা বিএনপির সম্মতিক্রমে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ফাহিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ওয়ার্ড বিএনপির একাধিক নেতা লিখিতভাবে অভিযোগ করেন যে, আনোয়ার হোসেন আনার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক, বিতর্কিত ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সংগঠনের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দলকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার কর্মকাণ্ডে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। নেতৃবৃন্দের আশঙ্কা, এমন একজন ব্যক্তি নেতৃত্বে থাকলে আসন্ন নির্বাচনসহ বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দলীয় স্বার্থে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বহিষ্কৃত নেতা আনোয়ার হোসেন আনার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রাজনীতির শিকার। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো একতরফা এবং আমাকে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের কোনো সুযোগ না দিয়েই বহিষ্কার করা হয়েছে।”
শু/সবা