০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাকসুর উদ্যোগে রমজানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবার ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। ক্যাম্পাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে এই খাবার সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে চাকসু।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এমন ঘোষণা দেন পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চাকসুর অফিসিয়াল পেইজ থেকে তিনি এই ঘোষণা দেন।
চাকসুর এই সম্পাদক জানান, রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজন  কিংবা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য নিচের স্থানগুলোতে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের কিছু নিদিষ্ট স্থানে খাবারের সুবিধা পাবেন। শিক্ষার্থীরা অতীশ দীপংকর হল, শাহ জালাল হল ডাইনিং, সোহরাওয়ার্দী হল ক্যান্টিন, ফরহাদ হল ক্যান্টিন, চাকসু ক্যাফেটেরিয়া, আমানত হল ক্যান্টিন, আব্দুর রব হল ক্যান্টিন, সূর্যসেন হল ক্যান্টিন, ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি ক্যান্টিন ও বিজয় ২৪ হল ক্যান্টিনে গিয়ে খাবার খেতে পারবেন।
চাকসু সূত্রে জানা গেছে, চাকসু ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার নিতে হলে সকাল ১১টার মধ্যে যোগাযোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সুজনের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান চাকসুর ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক। এছাড়া আমানত হল ক্যান্টিনে খাবারের জন্য আগের দিন রাতে রিকু আঙ্কেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে হবে।
চাকসু আরও জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় যদি ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী একত্রে অবস্থান করেন, তাহলে তাদের জন্য আলাওল হল ডাইনিংয়ে আলাদা করে রান্নার ব্যবস্থা চালু করা হবে।
চাকসু নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের খাবারের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে একটি মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
জানতে চাইলে চাকসুর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, “পবিত্র রমজান মাসে দিনের বেলায় অধিকাংশ হোটেল বন্ধ থাকে। রমজানে অনেকেই অসুস্থ থাকে, অনেকেই থাকা যারা বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা রোজা রাখে না। তাই তাদের খাবার খাওয়ার ভোগান্তি লাঘবে চাকসুর পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন ডা. তাসনিম জারা

চাকসুর উদ্যোগে রমজানে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবার ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। ক্যাম্পাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে এই খাবার সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে চাকসু।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এমন ঘোষণা দেন পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চাকসুর অফিসিয়াল পেইজ থেকে তিনি এই ঘোষণা দেন।
চাকসুর এই সম্পাদক জানান, রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজন  কিংবা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য নিচের স্থানগুলোতে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের কিছু নিদিষ্ট স্থানে খাবারের সুবিধা পাবেন। শিক্ষার্থীরা অতীশ দীপংকর হল, শাহ জালাল হল ডাইনিং, সোহরাওয়ার্দী হল ক্যান্টিন, ফরহাদ হল ক্যান্টিন, চাকসু ক্যাফেটেরিয়া, আমানত হল ক্যান্টিন, আব্দুর রব হল ক্যান্টিন, সূর্যসেন হল ক্যান্টিন, ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টি ক্যান্টিন ও বিজয় ২৪ হল ক্যান্টিনে গিয়ে খাবার খেতে পারবেন।
চাকসু সূত্রে জানা গেছে, চাকসু ক্যাফেটেরিয়া থেকে খাবার নিতে হলে সকাল ১১টার মধ্যে যোগাযোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সুজনের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান চাকসুর ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক। এছাড়া আমানত হল ক্যান্টিনে খাবারের জন্য আগের দিন রাতে রিকু আঙ্কেলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে হবে।
চাকসু আরও জানিয়েছে, ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় যদি ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী একত্রে অবস্থান করেন, তাহলে তাদের জন্য আলাওল হল ডাইনিংয়ে আলাদা করে রান্নার ব্যবস্থা চালু করা হবে।
চাকসু নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রমজান মাসে অসুস্থ, বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের খাবারের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং ক্যাম্পাসজুড়ে একটি মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।
জানতে চাইলে চাকসুর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, “পবিত্র রমজান মাসে দিনের বেলায় অধিকাংশ হোটেল বন্ধ থাকে। রমজানে অনেকেই অসুস্থ থাকে, অনেকেই থাকা যারা বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন এবং ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা রোজা রাখে না। তাই তাদের খাবার খাওয়ার ভোগান্তি লাঘবে চাকসুর পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
শু/সবা