ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর জড়ো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। তবে এখন পর্যন্ত সেই আলোচনা উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেনি।
এমন পরিস্থিতিতে, বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েনের পরও ইরান কেন আত্মসমর্পণ করছে না—সে প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন,
“আজ সকালে প্রেসিডেন্ট আমাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি খুব হতাশ—তা বলব না, কারণ তিনি জানেন তার সামনে আরও অনেক বিকল্প পথ খোলা আছে। তবে তার মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ইরান কেন এখনো নতি স্বীকার করছে না বা আত্মসমর্পণ করছে না।”
উইটকোফ আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিক যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র চায় না এবং সেই অস্ত্র তৈরির সব কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই দফা বৈঠক করেছে। বৈঠকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার—এই তিনটি মূল বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তবে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে। যদিও ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি লিখিত প্রস্তাব দিতে পারে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শু/সবা

























