1:34 pm, Tuesday, 28 April 2026

বিদ্যুতের দাম বেশি হওয়ায় আদানি পাওয়ার চুক্তি পুনঃআলোচনার পথে বাংলাদেশ

নবনির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনঃআলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিষয়টি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ প্রকাশ করে।

সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি যে কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাচ্ছে এবং এর আর্থিক চাপ বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমানো নতুন সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “অদানি বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ এবং চুক্তি পুনর্বিবেচনা নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কাছে পুনঃআলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়নি।”

২০২৩ সাল থেকে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা এলাকায় অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে আদানি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় ২৫ বছরের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কেন্দ্রটির উৎপাদিত এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রায় পুরো অংশই বাংলাদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

সরকারি পর্যালোচনায় জানানো হয়, আদানির সরবরাহ করা বিদ্যুতের দাম সম্ভাব্য ন্যায্য মূল্যের তুলনায় অন্তত ৫০ শতাংশ বেশি। চুক্তি পুনর্বিবেচনা হলে তা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তবে নতুন সরকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

13 + seventeen =

Popular Post

বিমানবন্দরে জোরদার নিরাপত্তা, শাহজালালে বাড়তি নজরদারি

বিদ্যুতের দাম বেশি হওয়ায় আদানি পাওয়ার চুক্তি পুনঃআলোচনার পথে বাংলাদেশ

Update Time : ০৪:৫৩:১৮ pm, Tuesday, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তি পুনঃআলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিষয়টি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ প্রকাশ করে।

সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, আদানি যে কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম বেড়ে যাচ্ছে এবং এর আর্থিক চাপ বহন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমানো নতুন সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “অদানি বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ এবং চুক্তি পুনর্বিবেচনা নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কাছে পুনঃআলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়নি।”

২০২৩ সাল থেকে ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা এলাকায় অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে আদানি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময় ২৫ বছরের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কেন্দ্রটির উৎপাদিত এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের প্রায় পুরো অংশই বাংলাদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

সরকারি পর্যালোচনায় জানানো হয়, আদানির সরবরাহ করা বিদ্যুতের দাম সম্ভাব্য ন্যায্য মূল্যের তুলনায় অন্তত ৫০ শতাংশ বেশি। চুক্তি পুনর্বিবেচনা হলে তা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তবে নতুন সরকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

শু/সবা