যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের সর্ববৃহৎ রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের সুদা বে নৌঘাঁটিতে এসে পৌঁছেছে। বর্তমানে রণতরীটি ইরান থেকে আনুমানিক আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধের আশঙ্কা তীব্র হওয়ার পর রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমার দিকে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান তাদের নির্ধারিত শর্ত মেনে একটি নতুন চুক্তিতে সম্মত হোক। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে— ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বাতিল, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা কমানো এবং হিজবুল্লাহ ও হামাস–এর মতো প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা বন্ধ করা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান এসব শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ব্যবস্থা নিতে পারে। এরই অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে একটি রণতরীসহ যুদ্ধজাহাজের বিশাল বহর মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড।
বার্তাসংস্থা ফ্রান্স প্রেস (এএফপি) জানিয়েছে, সোমবার রণতরীটি গ্রিসের ক্রিট দ্বীপে পৌঁছালেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে গ্রিসের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। একইভাবে এথেন্সে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, এথেন্স থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি রণতরীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বিরল ঘটনা। এসব রণতরীতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন থাকে।
এর আগে গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোয় হামলা চালানোর সময়ও মধ্যপ্রাচ্যে দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শু/সবা

























