১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অমর একুশে বইমেলা হবে জ্ঞান ও সংস্কৃতির মিলনমেলা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক এই সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়।

বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশে বইমেলার আয়োজন করা হয়, তবে আমাদের বইমেলা আমাদের মাতৃভাষার অধিকার আদায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্মারক।”

তিনি আরও বলেন, বই পড়া শুধু বিদ্যা বা অবসর নয়; এটি মস্তিষ্কের ব্যায়াম। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। তবে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বই বিমুখ করছে।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল বেচাকেনার মেলা নয় বরং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সূতিকাগার হবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিকরা ১০২টি দেশের মধ্যে বই পড়ার ক্ষেত্রে ৯৭তম স্থানে। আমাদের লক্ষ্য তরুণ প্রজন্মকে নিয়মিত বই পড়ায় আগ্রহী করে তোলা।”

তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলাকে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিতি এবং বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার জন্য এটি নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে। একই সঙ্গে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বইমেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের অনুষ্ঠান নয়; সারাবছর দেশের সব জেলা ও উপজেলায় আয়োজন করা যেতে পারে। বাংলা একাডেমি তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ, গবেষণাবৃত্তি এবং আন্তর্জাতিক সেমিনারের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে।

তারেক রহমান বলেন, “এই সব উদ্যোগ আমাদের তরুণদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। এভাবেই বইমেলা হবে আমাদের সবার মিলনমেলা, প্রাণের মেলা।”

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাষাসংগ্রামীদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করল ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুল

অমর একুশে বইমেলা হবে জ্ঞান ও সংস্কৃতির মিলনমেলা: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক এই সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়।

বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমি বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশে বইমেলার আয়োজন করা হয়, তবে আমাদের বইমেলা আমাদের মাতৃভাষার অধিকার আদায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্মারক।”

তিনি আরও বলেন, বই পড়া শুধু বিদ্যা বা অবসর নয়; এটি মস্তিষ্কের ব্যায়াম। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। তবে বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বই বিমুখ করছে।

তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল বেচাকেনার মেলা নয় বরং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সূতিকাগার হবে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিকরা ১০২টি দেশের মধ্যে বই পড়ার ক্ষেত্রে ৯৭তম স্থানে। আমাদের লক্ষ্য তরুণ প্রজন্মকে নিয়মিত বই পড়ায় আগ্রহী করে তোলা।”

তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলাকে আন্তর্জাতিক স্তরে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিতি এবং বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার জন্য এটি নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে। একই সঙ্গে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বইমেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের অনুষ্ঠান নয়; সারাবছর দেশের সব জেলা ও উপজেলায় আয়োজন করা যেতে পারে। বাংলা একাডেমি তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ, গবেষণাবৃত্তি এবং আন্তর্জাতিক সেমিনারের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করছে।

তারেক রহমান বলেন, “এই সব উদ্যোগ আমাদের তরুণদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করে। এভাবেই বইমেলা হবে আমাদের সবার মিলনমেলা, প্রাণের মেলা।”

শু/সবা