যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে। ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় ইসরাইলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত কারণে কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আক্রমণ শুরুর পরপরই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইসরাইলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে চলমান হামলাটি একটি সমন্বিত যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল অভিযান। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এই অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ইরানের প্রেসিডেন্ট ভবন।
ইরানি বিরোধী সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতাদের কয়েকটি বাসভবনও হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সেই সব সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকেও নিশানা করা হচ্ছে, যেখান থেকে ইসরাইলের ওপর হামলা চালানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
এখন পর্যন্ত ইসরাইলের ভূখণ্ডে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কায় দেশটির সাধারণ জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
শু/সবা














