6:57 am, Thursday, 9 July 2026

মশক নিধনে ‘জিরো টলারেন্স’ – ডিএসসিসির

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৪:৩৩ pm, Saturday, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 97 Time View

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিধন কার্যক্রমে কোনো ধরনের শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন–এর প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। তিনি স্পষ্টভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।

সম্প্রতি ডিএসসিসি এলাকায় মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসকের নির্দেশে এই বিশেষ সভা আহ্বান করা হয়। সভায় মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, সঠিক পদ্ধতিতে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা এবং মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে মশার বংশবিস্তার রোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

সভায় জানানো হয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো স্থাপনায় মশার উৎপত্তিস্থল পাওয়া গেলে এবং বারবার সতর্ক করার পরও ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে অবহেলা, ব্যর্থতা বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। এই কার্যক্রম তিনি নিজেই সরেজমিনে তদারকি করবেন।

তিনি জানান, রোববার (১ মার্চ) থেকে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ১০ দিনের বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হবে। এতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

সভায় মশক কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের বিকল্প হিসেবে নতুন ও আরও কার্যকর ওষুধ পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, কর্পোরেশন সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা **এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার**সহ সব বিভাগীয় প্রধান, আঞ্চলিক কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তারা।

ডিএসসিসি প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান নগরবাসীর মধ্যে মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

5 × 2 =

Popular Post

সংগঠনের আদর্শ রক্ষায় যুবদলের ৩০০ নেতা–কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে: যুবদল সভাপতি

মশক নিধনে ‘জিরো টলারেন্স’ – ডিএসসিসির

Update Time : ০৩:৫৪:৩৩ pm, Saturday, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিধন কার্যক্রমে কোনো ধরনের শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন–এর প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। তিনি স্পষ্টভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি।

সম্প্রতি ডিএসসিসি এলাকায় মশার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসকের নির্দেশে এই বিশেষ সভা আহ্বান করা হয়। সভায় মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা, সঠিক পদ্ধতিতে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা এবং মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে মশার বংশবিস্তার রোধে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

সভায় জানানো হয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কোথাও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো স্থাপনায় মশার উৎপত্তিস্থল পাওয়া গেলে এবং বারবার সতর্ক করার পরও ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে অবহেলা, ব্যর্থতা বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। এই কার্যক্রম তিনি নিজেই সরেজমিনে তদারকি করবেন।

তিনি জানান, রোববার (১ মার্চ) থেকে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ১০ দিনের বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ শুরু হবে। এতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

সভায় মশক কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং বর্তমানে ব্যবহৃত ওষুধের বিকল্প হিসেবে নতুন ও আরও কার্যকর ওষুধ পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, কর্পোরেশন সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা **এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার**সহ সব বিভাগীয় প্রধান, আঞ্চলিক কর্মকর্তা এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মশক নিধন শাখার কর্মকর্তারা।

ডিএসসিসি প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান নগরবাসীর মধ্যে মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

শু/সবা