লাইটার জাহাজে ভোগ্যপণ্য আটকে রেখে কৃত্রিমভাবে বাজারে সংকট তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং ইতোমধ্যে সরেজমিনে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ টার্মিনালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে পরিদর্শনে একটি লাইটার জাহাজে গম আটকে রাখার তথ্য পাওয়া গেছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করে ইচ্ছাকৃতভাবে জাহাজে আটকে রাখার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ টার্মিনাল, নির্মাণাধীন খানপুর আইসিটি অ্যান্ড বাল্ক টার্মিনাল, নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইজ এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের মাছঘাট সংলগ্ন নির্মিতব্য টার্মিনাল ভবন পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়।
পরিবহন খাত প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে— কোনো অবস্থাতেই ভাড়া বাড়ানো যাবে না। কেউ ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির ও নিরাপদ করতে সরকার প্রস্তুত। যেসব স্থানে যানজট বা ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অবাধ ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে গতবারের তুলনায় এবার সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর আরও বেশি তৎপর থাকবে বলে জানান তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আলমগীর হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শু/সবা

























