১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন বাংলাদেশ হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।

অন্যদিকে রিটের বিপক্ষে ছিলেন এনসিপির পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনিরইমরান এ সিদ্দিক

এর আগে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়।

রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। এতে জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীতে আমিরাঘোনা মাটির মসজিদ মাদরাসার ইফতার ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় : ০৩:২৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন বাংলাদেশ হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক

রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ।

অন্যদিকে রিটের বিপক্ষে ছিলেন এনসিপির পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতের পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনিরইমরান এ সিদ্দিক

এর আগে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা পৃথক দুটি রিটের ওপর শুনানি শেষ হয়।

রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিলের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। এতে জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

শু/সবা