গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি-তে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা করা হবে না বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি; বরং জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে যেসব দেশকে ‘মিত্র’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচলের সুযোগ পাবে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব দেশের জাহাজে হামলা করা হবে না, সেগুলো হলো—বাংলাদেশ, ভারত, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান ও ইরাক।
আরাগচি জানান, এসব দেশের সরকারের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং তারা সমন্বয় করে চলতে সম্মত হয়েছে। এমনকি চলমান যুদ্ধের পরও এই দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে ‘নিরাপত্তা প্যাসেজ’ পাবে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পথ নিয়ন্ত্রণে রাখছে ইরান, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
ইরান এর আগেও জানিয়েছিল, এই অবরোধ ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে; তবে ‘মিত্র’ দেশগুলোর জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না। তবে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের আগে সব জাহাজকে ইরানের সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।
এদিকে ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজের ওপর টোল আরোপের জন্য একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে ইরানের পার্লামেন্ট।
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























