ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা এবং কংগ্রেসের পূর্ণ অনুমোদন ছাড়াই সামরিক অভিযান পরিচালনার বিষয়ে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।
বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের প্রতিরক্ষা ব্যয় তদারককারী কমিটিগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের ২০২৭ সালের প্রস্তাবিত সামরিক বাজেট নিয়ে শুনানি চালাচ্ছে। ওই বাজেটে প্রায় দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের সামরিক ব্যয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাজেট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন যুদ্ধ পরিস্থিতির দিকে ঘুরে যাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ স্থবির অবস্থায় থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা, ড্রোন, যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে।
পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন (২ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার। এই ব্যয়ের মধ্যে সামরিক সরঞ্জামের মেরামত, প্রতিস্থাপন এবং যুদ্ধ পরিচালনার খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পেন্টাগনের নিরীক্ষক জুলস হার্স্ট কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, গত হিসাবের তুলনায় যুদ্ধ ব্যয় আরও প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
সবুজ বাংলা অনলাইন 
























